‘ফিউচার’ এখন প্লেটে! এলন মাস্কের অভিনব ডাইনার খোলা হল লস অ্যাঞ্জেলেসে

এলন মাস্কের অভিনব ডাইনার খোলা হল লস অ্যাঞ্জেলেসে! টেসলা নামটা শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক গাড়ি, আর ভবিষ্যতের এক ঝলক। কিন্তু এবার এলন মাস্ক সেই ভবিষ্যতের স্বাদ আনলেন…

July 23, 2025
1 min read

এলন মাস্কের অভিনব ডাইনার খোলা হল লস অ্যাঞ্জেলেসে!

টেসলা নামটা শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক গাড়ি, আর ভবিষ্যতের এক ঝলক। কিন্তু এবার এলন মাস্ক সেই ভবিষ্যতের স্বাদ আনলেন খাওয়ার টেবিলে। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন! সম্প্রতি লস অ্যাঞ্জেলেসে খুলে গেল টেসলার প্রথম ‘রেট্রো-ফিউচারিস্টিক ডাইনার’, যেখানে খাবার শুধু খাওয়ার জিনিস নয়, বরং একটা অভিজ্ঞতা।

এই ডাইনারের চেহারা দেখে মনে হতে পারে আপনি টাইম মেশিনে চেপে ১৯৫০-এর দশকে চলে গিয়েছেন, আবার সঙ্গে সঙ্গে চোখে পড়বে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া—যার মিশেলে তৈরি এক অদ্ভুত রেট্রো-ফিউচার অনুভব।


ডাইনারে ঢুকেই চমক

লস অ্যাঞ্জেলেসের সান্তা মনিকা বুলেভার্ডে অবস্থিত এই ডাইনারটি একেবারেই টেসলার নিজস্ব কনসেপ্ট। বাইরের দিকটা দেখতে ঠিক যেন পুরনো দিনের আমেরিকান ডাইনার, যার সামনে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে টেসলার মডেল-৩ এবং মডেল-ওয়াই।

ভেতরে ঢুকলেই আলাদা এক দুনিয়া। ডিজাইনে আধুনিকতা থাকলেও, চেয়ার-টেবিল, নিওন আলো, ওয়েটারের পোশাক—সব কিছুতেই ছড়িয়ে রয়েছে ৫০-এর দশকের গন্ধ। যেন একসঙ্গে দুই যুগের হাত ধরাধরি।


শুধু খাওয়া নয়, সিনেমাও

এই ডাইনারে খেতে বসলে শুধু মুখে নয়, চোখেও জো ছড়াবে। কারণ, এখানে রয়েছে এক বিশাল স্ক্রিন, যেখানে সারাক্ষণ চলে পুরনো দিনের ক্লাসিক সিনেমা। আপনি চাইলে নিজের গাড়িতে বসেই খাবার অর্ডার করে সেই সিনেমা উপভোগ করতে পারেন, ঠিক যেন ড্রাইভ-ইন থিয়েটার।

এছাড়াও, QR কোড স্ক্যান করে অর্ডার দেওয়া যায়। খাবার পৌঁছে যাবে গাড়ির জানালার পাশেই। পরিবেশনের ধরণ পুরোপুরি ‘কন্ট্যাক্টলেস’ ও হাই-টেক।


মেনুতে টেক-টুইস্ট

ডাইনার মানেই তো বার্গার, ফ্রাইজ আর মিল্কশেক। এখানেও তার ব্যতিক্রম নেই। তবে টেসলার ডাইনারে মিলবে বিয়ন্ড মিট বার্গার, গ্লুটেন-ফ্রি ফ্রাইস, আর স্পেশাল ভেগান শেক!

এখানে খাবারের স্বাদ যেমন আধুনিক, তেমনই পরিবেশের দিকেও নজর—সব খাবার পরিবেশবান্ধব কন্টেনারে দেওয়া হয়।


মাস্কের বৈশ্বিক পরিকল্পনা

এই অভিনব উদ্যোগে থেমে থাকতে চান না এলন মাস্ক। সূত্রের খবর, খুব শিগগিরই নিউ ইয়র্ক, লন্ডন, দুবাই এবং টোকিওতে এই ধরনের রেট্রো-ফিউচার ডাইনার খোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

মাস্কের কথায়, “এটা শুধু খাবারের জায়গা নয়, এটা এক ধরনের ‘ফিউচারিস্টিক নস্টালজিয়া’—যেখানে মানুষ পুরনো আমেজের সঙ্গে ভবিষ্যতের প্রযুক্তিকে একসঙ্গে অনুভব করতে পারবে।”


উপসংহার

টেসলার এই অভিনব ডাইনার যেন সময়ের দুটো প্রান্তকে একই টেবিলে বসিয়ে দিল। এখানে আপনি যেমন পুরনো দিনের স্বাদ পাবেন, তেমনই স্পেস-এইজ প্রযুক্তির ছোঁয়াও ছড়িয়ে থাকবে প্রতিটা কোণে। এলন মাস্ক প্রমাণ করলেন—তিনি শুধু প্রযুক্তির জাদুকর নন, তিনি ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুনে নিতে জানেন মানুষের হৃদয় দিয়ে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালোবাসার ছবি, খোলাখুলি রোম্যান্সে মশগুল সোনাক্ষী-জহির

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *