ফাইনালে লাল কার্ডের পর প্রথম বার মুখ খুললেন এঞ্জো, হার নয়— দেশের জার্সির লড়াইকেই বড় করলেন মেসির সতীর্থ

দেশের জার্সির লড়াইকেই বড় করলেন মেসির সতীর্থ! বিশ্বকাপ ফাইনালের হতাশা এখনও কাটেনি আর্জেন্টিনা শিবিরে। স্পেনের কাছে ট্রফি হারানোর পাশাপাশি লাল কার্ড দেখে দলকে চাপে ফেলেছিলেন মাঝমাঠের ভরসা এঞ্জো ফের্নান্দেজ়। তবে…

July 21, 2026
0 min read

দেশের জার্সির লড়াইকেই বড় করলেন মেসির সতীর্থ!

বিশ্বকাপ ফাইনালের হতাশা এখনও কাটেনি আর্জেন্টিনা শিবিরে। স্পেনের কাছে ট্রফি হারানোর পাশাপাশি লাল কার্ড দেখে দলকে চাপে ফেলেছিলেন মাঝমাঠের ভরসা এঞ্জো ফের্নান্দেজ়। তবে ম্যাচের দু’দিন পর মুখ খুললেও বিতর্কিত সেই লাল কার্ড নিয়ে একটি কথাও বলেননি ২৫ বছরের মিডফিল্ডার। পরিবর্তে দেশের জার্সির জন্য লড়াই এবং দলের মানসিকতার কথাই তুলে ধরলেন তিনি।

ফাইনালে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন চেলসির এই ফুটবলার। তাঁর বিদায়ের পর বেশ কিছু সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় লিয়োনেল মেসিদের। সেই ঘটনাই ম্যাচের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে ধরা হচ্ছে। কিন্তু নিজের প্রতিক্রিয়ায় এঞ্জো কোনও ব্যাখ্যা দেননি বা ঘটনার উল্লেখও করেননি।

সমাজমাধ্যমে দীর্ঘ বার্তায় তিনি লেখেন, “একটা সময় আপনারা বুঝতে পারবেন, ফলাফলের থেকেও বড় কিছু ছিল। বছরের পর বছর ধরে এই দল দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে সম্ভাব্য সেরা উপায়ে। প্রতিযোগিতা শুধু জয়ের নাম নয়, বরং দেশের জার্সির জন্য সব কিছু উজাড় করে দেওয়া, কখনও হাল না ছাড়া। এই দলের অংশ হতে পারা এমন এক স্মৃতি, যা আমি সারাজীবন বয়ে বেড়াব।”

তিনি আরও বলেন, “এই দল সব সময় লড়াই করেছে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাথা নত করেনি। গর্ব, বিনয় এবং দায়িত্ববোধ নিয়ে আমরা দেশের জার্সির সম্মান রক্ষা করার চেষ্টা করেছি।”

আর্জেন্টিনার সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এঞ্জো। তাঁর কথায়, “সব সমর্থককে ধন্যবাদ। প্রতিটি ম্যাচে আপনারা যেভাবে আমাদের পাশে থেকেছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তেই খেলি না কেন, আপনাদের সমর্থন আমাদের শক্তি দিয়েছে। দেশের জার্সি পরা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। যখনই দেশের হয়ে ডাক পাব, নিজের সর্বস্ব দিয়ে মাঠে নামব।”

যদিও তিনি সরাসরি লাল কার্ডের প্রসঙ্গ তোলেননি, অনেকের মতে তাঁর বার্তার অন্তর্নিহিত অর্থ স্পষ্ট। দেশের জন্য শতভাগ উজাড় করে দিতে গিয়েই সেই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। ফল যাই হোক, জাতীয় দলের হয়ে লড়াই করার মানসিকতাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডার।

ফাইনালের পর আর্জেন্টিনা শিবিরে হতাশা থাকলেও দলের ফুটবলারদের একের পর এক বার্তায় উঠে আসছে একই সুর— ট্রফি হাতছাড়া হলেও দেশের জন্য তাঁদের লড়াই এবং সমর্থকদের ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *