ফর্মে নেই, তবু ভয় পাচ্ছে ইংল্যান্ড!!
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনও নিজের সেরা ছন্দে দেখা যায়নি Abhishek Sharma-কে। প্রথম তিন ম্যাচেই শূন্য রানে ফিরেছেন প্যাভিলিয়নে। গোটা টুর্নামেন্টে তাঁর ঝুলিতে মাত্র ৮০ রান। তবু সেমিফাইনালের আগে ইংল্যান্ড শিবিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা যে নামটি নিয়ে, সেটাই অভিষেক।
বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। আর তার আগে ইংরেজরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে— ফর্ম যাই হোক, অভিষেককে হালকা ভাবে নেওয়ার প্রশ্নই নেই।
💥 এক ইনিংসেই বদলে যেতে পারে ম্যাচ
জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ৩০ বলে ৫৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস ছাড়া এ বারের বিশ্বকাপে খুব একটা সাবলীল লাগেনি অভিষেককে। টানা ব্যর্থতায় আত্মবিশ্বাসেও খানিক ঘাটতির ছাপ স্পষ্ট।
কিন্তু টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এমন এক মঞ্চ, যেখানে এক ঝলকেই বদলে যেতে পারে ম্যাচের রং। অভিষেক সেই ধরনের ক্রিকেটার, যিনি শুরুটা পেয়ে গেলে একাই প্রতিপক্ষের হাত থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিতে পারেন।
বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে টি-টোয়েন্টিতে এক নম্বর ব্যাটার হিসেবে তাঁর পরিচয় এখনও যথেষ্ট ভারী। সেটা ভাল করেই জানেন ইংল্যান্ডের কোচ Brendon McCullum থেকে শুরু করে ব্যাটার Harry Brook-রা।
🎯 নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ইংল্যান্ডের
মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার Sam Curran স্বীকার করেছেন, অভিষেকের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে দল।
কারেন বলেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য বৃহস্পতিবারের ম্যাচ। আশা করব, আমাদের বিরুদ্ধেও অভিষেক চেনা মেজাজে ফিরবে না। তবে আমরা সব রকম প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামব।”
অর্থাৎ, ইংল্যান্ড চাইছে অভিষেকের খারাপ ফর্ম অব্যাহত থাকুক। কিন্তু একই সঙ্গে তাঁকে ঠেকাতে আলাদা ছক কষছে। নতুন বলে নির্দিষ্ট লাইন-লেংথ, ফিল্ড সেটিং— সব কিছুতেই থাকবে বাড়তি সতর্কতা।
🇮🇳 ভারতের শক্তি সম্পর্কে সচেতন
কারেন ভারতকে “খুব ভাল দল” বলেই উল্লেখ করেছেন। তবে ভয় পাচ্ছেন না বলেও জানিয়েছেন। কারণ, ইংল্যান্ডের বেশ কয়েক জন ক্রিকেটার নিয়মিত আইপিএল খেলেন। ভারতীয় পিচ ও পরিবেশ তাঁদের চেনা।
ভারতের বিরুদ্ধে নিয়মিত খেলায় অভ্যস্ত হওয়াও আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে ইংরেজদের। তবু তারা জানে, ঘরের মাঠে ভারতকে হারানো সহজ হবে না।
🏟️ ওয়াংখেড়ের মঞ্চ
মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক Wankhede Stadium-এ হবে এই মহারণ। ছোট মাঠ, সাধারণত ব্যাটিং সহায়ক পিচ— ফলে বড় রানের ম্যাচের সম্ভাবনাই বেশি।
কারেনের কথায়, “ওয়াংখেড়ে দুর্দান্ত স্টেডিয়াম। সমর্থকদের তীব্র চিৎকারের মধ্যে খেলাটা দারুণ অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে তরুণ ক্রিকেটারের কাছে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল খেলা স্বপ্নের মতো।”
🔜 চাপ কার ওপর?
চাপ হয়তো বেশি ভারতের ওপেনারের ওপরই। টানা ব্যর্থতার পর বড় ম্যাচে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ। অন্য দিকে, ইংল্যান্ডের বোলারদের কাছে এটি চ্যালেঞ্জ— শুরুতেই অভিষেককে থামানো।
ফর্মের গ্রাফ নিচে হলেও, প্রতিপক্ষের চিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকাই বলে দেয়— অভিষেক এখনও ম্যাচ-উইনার।
বৃহস্পতিবারের সেমিফাইনালে প্রথম কয়েক ওভারেই বোঝা যাবে, ইংল্যান্ডের পরিকল্পনা সফল হয়, না কি ব্যাট হাতে জবাব দেন অভিষেক।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?