গ্রুপসেরা হয়ে আইএফএ শিল্ডের সেমিফাইনালে মোহনবাগান!
জয়টা হাতের মুঠোয় এসেও শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট পাওয়া হল না মোহনবাগানের। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে আইএফএ শিল্ডের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র করল সবুজ-মেরুন। তবে এই ড্রয়ের পরেও গ্রুপের শীর্ষে থেকেই নক আউটে জায়গা করে নিল তারা। নর্থইস্টও শেষ চারে উঠেছে।
ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল মোহনবাগান। জেমি ম্যাকলারেনকে শুরুতে বাইরে রেখে লি আরউইনকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন কোচ পানাজিয়োটিস দিমপেরিস। সঙ্গে ছিলেন ডেজ়ান দ্রাজিচও। ৯ মিনিটেই গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন আরউইন। সমির জ়েলকোভিচের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে নর্থইস্টের গোলরক্ষক দীপেশ চৌহানের মাথার উপর দিয়ে বল তুলে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেটি বারের উপর দিয়ে চলে যায়।
প্রথমার্ধে একাধিক বার নর্থইস্টের রক্ষণে চাপ তৈরি করে মোহনবাগান। প্রতিপক্ষও রক্ষণে চার জনকে রেখে জায়গা বন্ধ করে দিয়েছিল। ফলে আক্রমণ করেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি বাগান। গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যায় দু’দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই জোড়া পরিবর্তন করেন দিমপেরিস। মাঠে নামেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা এবং ম্যাকলারেন। বদলের ফলও মিলল দ্রুত। ৪৯ মিনিটে দ্রাজিচের লম্বা বল মাথা দিয়ে নামিয়ে দেন ম্যাকলারেন। সেই বল থেকেই শট নেন আরউইন। দীপেশকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে যায়। এগিয়ে যায় মোহনবাগান। সবুজ-মেরুন জার্সিতে প্রথম দুই ম্যাচেই গোল করলেন স্কটিশ ফুটবলার।
গোল খাওয়ার পর সমতা ফেরানোর চেষ্টা শুরু করে নর্থইস্ট। কিন্তু তার মধ্যেই ফের গোলের সুযোগ তৈরি করে মোহনবাগান। দ্রাজিচের শট থইবা সিংহের হাতে লাগায় পেনাল্টি পায় তারা। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি মিগুয়েল। তাঁর নেওয়া দুর্বল শট আটকে দেন দীপেশ।
পেনাল্টি মিসের পরেই ম্যাচের ছবি বদলে যায়। মাত্র দু’মিনিটের মধ্যে দ্রুত আক্রমণ তুলে এনে মোহনবাগানের বক্সে ঢুকে পড়ে নর্থইস্ট। বিশাল কাইথকে পরাস্ত করে গোল করেন এথিয়ান গঞ্জালেজ়। ১-১ হয়ে যায় ম্যাচ।
এর পর মোহনবাগানের জন্য আরও একটি ধাক্কা আসে। হ্যামস্ট্রিংয়ে সমস্যা হওয়ায় মাঠ ছাড়তে হয় ম্যাকলারেনকে। শেষ দিকে অবশ্য ফের জয়ের সুযোগ তৈরি করেছিল বাগান। মিগুয়েলের শটও বাঁচিয়ে দেন দীপেশ। শেষ পর্যন্ত আর গোল হয়নি।
এই ড্রয়ের ফলে মোহনবাগান ও নর্থইস্ট—দু’দলেরই পয়েন্ট চার। তবে গোলপার্থক্যে এগিয়ে থেকে গ্রুপের শীর্ষে মোহনবাগান। ফলে নক আউটে তাদের জায়গা নিশ্চিত হয়েছে। এখন সেমিফাইনালে সবুজ-মেরুনের সামনে ইস্টবেঙ্গল না পঞ্জাব এফসি—সেটাই দেখার।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।