এক রাতেই প্রায় সব সঞ্চয় হারিয়েছিলেন রবার্তো কার্লোস, কী ভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন ব্রাজ়িলের বিশ্বকাপজয়ী তারকা

এক রাতেই প্রায় সব সঞ্চয় হারিয়েছিলেন রবার্তো কার্লোস! ফুটবল মাঠে তাঁর বাঁ পায়ের গোলার মতো শট ছিল আতঙ্কের। কিন্তু মাঠের বাইরে জীবনের এক কঠিন সময় সামলাতে হয়েছিল রবার্তো কার্লোসকে। ব্রাজ়িলের…

September 29, 2026
0 min read

এক রাতেই প্রায় সব সঞ্চয় হারিয়েছিলেন রবার্তো কার্লোস!

ফুটবল মাঠে তাঁর বাঁ পায়ের গোলার মতো শট ছিল আতঙ্কের। কিন্তু মাঠের বাইরে জীবনের এক কঠিন সময় সামলাতে হয়েছিল রবার্তো কার্লোসকে। ব্রাজ়িলের প্রাক্তন তারকা জানিয়েছেন, ফুটবলজীবনে উপার্জন করা অর্থের প্রায় ৯৯ শতাংশই তিনি হারিয়েছিলেন। যাঁদের বিশ্বাস করেছিলেন, তাঁদেরই কয়েক জনের ভুল পরামর্শ এবং আর্থিক সিদ্ধান্ত তাঁকে বড় সঙ্কটে ফেলেছিল।

পর্তুগাল ফুটবল সামিটে নিজের সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন কার্লোস। তাঁর কথায়, এক রাতে স্বাভাবিক ভাবেই ঘুমোতে গিয়েছিলেন তিনি। পরের দিন সকালে উঠে দেখেন, সামনে একের পর এক নথি পড়ে রয়েছে। সেই কাগজপত্রের অনেক কিছুই তাঁর জানা ছিল না। তখনই বুঝতে পারেন, নিজের উপার্জনের প্রায় সবটাই হারিয়ে ফেলেছেন।

কার্লোসের দাবি, এজেন্ট এবং পারিবারিক কিছু সমস্যার কারণেও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছিল। ভুল মানুষের সঙ্গে ব্যবসা করা এবং তাঁদের পরামর্শে বিনিয়োগ করাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে ঠেলে দেয়। এক সময় তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও প্রায় ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। এর ফলে পরিবারও গুরুতর সমস্যার মধ্যে পড়ে।

তবে সেই কঠিন পরিস্থিতিতে একটি সিদ্ধান্ত তাঁকে সাহায্য করেছিল। অবসর নেওয়ার আগেই ফুটবলের বাইরের জীবন নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন কার্লোস। স্পোর্টিং ডিরেক্টরের লাইসেন্স নিয়েছিলেন, পাশাপাশি কয়েকটি সংস্থার সঙ্গেও কাজ করেছিলেন। ফলে খেলোয়াড়জীবনের উপার্জন হারালেও নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন।

তরুণ ফুটবলারদের উদ্দেশে তাই সতর্কবার্তাও দিয়েছেন ব্রাজ়িলের প্রাক্তন ডিফেন্ডার। তাঁর মতে, পেশাদার ফুটবলজীবনের আয়ের উপর চিরকাল নির্ভর করে থাকা ঠিক নয়। অবসরের পরের জীবন কেমন হবে, তা নিয়ে কেরিয়ারের সময় থেকেই পরিকল্পনা করা দরকার। একই সঙ্গে নিজের পরিচয় এবং ভাবমূর্তি ধরে রাখার উপরেও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

কার্লোসের ফুটবল কেরিয়ার ছিল বর্ণময়। ২০০২ সালে বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজ়িল দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। রিয়েল মাদ্রিদ এবং ইন্টার মিলানের মতো ক্লাবে খেলেছেন। ফুটবলজীবনে তাঁর আয় ছিল বিপুল। কিন্তু সেই অর্থের বড় অংশ হারানোর অভিজ্ঞতাই এখন তরুণদের জন্য শিক্ষার বিষয় করে তুলতে চাইছেন তিনি।

২০১৫ সালে আইএসএল খেলতেও ভারতে এসেছিলেন কার্লোস। দিল্লি ডায়নামোসের হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেছিলেন ব্রাজ়িলের এই কিংবদন্তি ডিফেন্ডার।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *