আবেগের মুহূর্তে নিজের কান্নার কারণ জানালেন মেসি!
মিশরের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন লিয়োনেল মেসি। তবু শেষ বাঁশি বাজার পর তাঁকে দেখা যায় চোখের জল ফেলতে। জয় উদ্যাপনের বদলে কেন এত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন, ম্যাচ শেষে নিজেই সেই কারণ জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এর আগে কখনও দু’গোলে পিছিয়ে থেকে জয় পায়নি আর্জেন্টিনা। মিশরের বিরুদ্ধে ০-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়ে তারা। প্রত্যাবর্তনের অন্যতম কারিগর ছিলেন মেসি। তবে ম্যাচের শুরুতেই একটি পেনাল্টি নষ্ট করেছিলেন তিনি, যা তাঁকে ভিতর থেকে নাড়িয়ে দিয়েছিল।
ম্যাচ শেষে মেসি বলেন, “শেষ বাঁশি বাজার পর আমার ভীষণ স্বস্তি লাগছিল। কিন্তু পেনাল্টি মিস করার পর নিজের উপর খুব রাগ হয়েছিল। যেভাবে শট নিয়েছিলাম, সেটা একেবারেই ঠিক হয়নি। মনে হচ্ছিল, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমি দলকে বিপদে ফেলে দিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “শেষ পর্যন্ত ঈশ্বর হয়তো আমার জন্য অন্য কিছু ভেবে রেখেছিলেন। সমতা ফেরানোর গোলটা করতে পেরেছি। সেই মুহূর্তের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। সেই কারণেই আবেগ ধরে রাখতে পারিনি।”
এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার নকআউট যাত্রা সহজ হয়নি। এর আগেও কাবো ভার্দের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে জিতে পরের পর্বে উঠেছিল তারা। মিশরের বিরুদ্ধেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করতে হয়েছে। ফলে দলের রক্ষণ এবং ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের কিছু দুর্বলতা আবারও সামনে এসেছে।
তবে মেসির বিশ্বাস, ম্যাচের ফল আর্জেন্টিনার প্রাপ্যই ছিল। তাঁর কথায়, “যদি পেনাল্টিটা গোল হত, তাহলে ম্যাচ অনেক আগেই অন্য দিকে চলে যেতে পারত। আমরা শুরু থেকেই ভালো ফুটবল খেলছিলাম। ওরা এগিয়ে যাওয়ার পরেও একের পর এক সুযোগ তৈরি করেছি। আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, জুলিয়ান আলভারেজ— সবাই সুযোগ পেয়েছিল। মিশরের গোলরক্ষক কয়েকটি অসাধারণ সেভ করেছে। তবু আমি মনে করি, এই দলটা জয়ের যোগ্য ছিল।”
পেনাল্টি মিসের আক্ষেপ থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন মেসি। সেই সাফল্যের সঙ্গে ব্যক্তিগত অপরাধবোধ, স্বস্তি এবং আবেগ মিলেমিশেই তৈরি হয়েছিল তাঁর চোখের জল— এমনটাই জানালেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?