পুজোর আগে ওজন ঝরাতে কিশমিশ ভেজানো জল?
সকালে ভেজানো বাদাম বা কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। কিন্তু কিশমিশ ভেজানোর পর সেই জল ফেলে না দিয়ে পান করলেও নাকি পাওয়া যায় নানা উপকার। হজমের সমস্যা থেকে শুরু করে ওজন নিয়ন্ত্রণ—কোন সমস্যায় কী ভাবে কিশমিশ ভেজানো জল খাওয়া যায়, তা জেনে নিন।
কিশমিশে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ। তাই সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখার পর কিশমিশের সঙ্গে সেই জল খাওয়ার চল রয়েছে। ভেজানো জলের মধ্যে কিশমিশের কিছু উপাদান মিশে যায় বলে এটি সকালে পানীয় হিসাবে খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেকে।
বিশেষ করে হজমের সমস্যা থাকলে কিশমিশ ভেজানো জল উপকারী বলে লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে। দ্রাব্য ফাইবারের উৎস হিসাবে এটি হজমে সাহায্য করতে পারে। লিভারের স্বাস্থ্য, ত্বকের সমস্যা, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এবং হরমোনের ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও এই পানীয়ের উপকারিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে কোন উদ্দেশ্যে কিশমিশের জল খাচ্ছেন, তার উপর প্রস্তুতির পদ্ধতিও আলাদা হতে পারে।
অ্যানিমিয়া ও হজমের সমস্যায়
২০টি কালো মুনাক্কা কিশমিশ আধ কাপ জলে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে উঠে কিশমিশ-সহ সেই জল খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। লেখাটির দাবি অনুযায়ী, এই পানীয় আয়রন শোষণে সাহায্য করতে পারে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও সহায়ক হতে পারে।
দিনভর ক্লান্তি বা ঝিমুনি এবং ঋতুস্রাবের সময় বেশি রক্তপাতের ক্ষেত্রেও এই পানীয় খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ত্বকের জেল্লা ও হরমোনের ভারসাম্যে
ত্বকের জেল্লা ফেরাতে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এক চিমটে কেশরের সঙ্গে ১৫টি কালো কিশমিশ ঈষদুষ্ণ জলে সারা রাত ভিজিয়ে রাখতে বলা হয়েছে। সকালে সেই সোনালি রঙের জল পান করার কথা উল্লেখ রয়েছে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে কী ভাবে খাবেন?
ওজন কমাতে চাইলে ১৫টি কিশমিশ ঈষদুষ্ণ জলে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। পরের দিন সকালে জল ছেঁকে পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে, এতে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমার পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য হতে পারে।
তবে কিশমিশ ভেজানো জল একাই দ্রুত ওজন কমিয়ে দেয়—এমন নিশ্চয়তা এই লেখায় নেই। ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনও গুরুত্বপূর্ণ।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।