‘রঘু ডাকাত’ বনাম ‘রক্তবীজ ২’, কে জিতবে বক্স অফিসে?
পুজোর মরসুম মানেই বাংলা ছবির উৎসব। একসঙ্গে চার-চারটি বড় ছবি মুক্তি পেতে চলেছে— দেবের ‘রঘু ডাকাত’, নন্দিতা-শিবপ্রসাদের ‘রক্তবীজ ২’, শুভ্রজিৎ মিত্রর ‘দেবী চৌধুরাণী’ এবং অনীক দত্তর ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’। তবে আলোচনা কিন্তু মূলত ঘুরপাক খাচ্ছে দুটি ছবিকে ঘিরেই— ‘রঘু ডাকাত’ আর ‘রক্তবীজ ২’।
গত কয়েক বছর ধরে শুধু ছবির কাহিনি বা তারকারা নয়, মুক্তির আগে-পরে প্রচার, পোস্টার, ট্রেলার, এমনকি মুক্তির দিনকে ঘিরে টানাটানিই যেন হয়ে উঠেছে বক্স অফিসে সাফল্যের হাতিয়ার। এই বছরও তার অন্যথা হচ্ছে না।
১৪ সেপ্টেম্বর প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে একসঙ্গে ঘরোয়া আড্ডায় দেখা গিয়েছিল, যা দেখে মনে হয়েছিল— প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও সুস্থ পরিবেশ বজায় আছে। কিন্তু ঠিক এক দিন পরই রটে যায়, দেব নাকি আবারও প্রেক্ষাগৃহ আর প্রদর্শন সময়ের দখল নিচ্ছেন। ফলে বাকি ছবিগুলো পড়ছে চাপে।
এই অভিযোগ ঘিরেই শুরু হয়েছে খোঁচা-টিপ্পনি। কেউ সরাসরি নাম না নিলেও, ‘রক্তবীজ ২’-এর কাহিনি-চিত্রনাট্যকার জ়িনিয়া সেন স্পষ্টই বলেন, “যদি গুঞ্জন সত্যি হয়, তা হলে ‘রক্তবীজ ২’-সহ অন্য ছবিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গত পুজোয় ‘বহুরূপী’ দারুণ ব্যবসা করেছিল। তবে এ বার কেন সুযোগের অপব্যবহার হবে?”
১৬ সেপ্টেম্বর সকালেই রাজনীতিবিদ-অভিনেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টিকে আরও উত্তপ্ত করে তুললেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখলেন, “খবর আছে, এক প্রভাবশালী ছবি শুরুর দিন থেকেই একাধিক হলে বাড়তি সময় পাচ্ছে।” তিনি সরাসরি ‘রক্তবীজ ২’-এর হয়ে কথা বলেন এবং প্রশ্ন তোলেন, “সবাই যদি সমান সুযোগ না পায়, তবে এত বৈঠক করার মানেটা কী?”
এই পরিস্থিতিতে দেব অবশ্য শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “কেন এত বিশ্লেষণ হচ্ছে জানি না। যদি আমার কোনও পদক্ষেপ বাংলা ছবির উপকারে আসে, আর তা অন্যদেরও ছুঁয়ে যায়, তবে সমস্যা কোথায়?”