‘পাকিস্তানে আমারও আত্মীয় রয়েছেন’, দিলজিতের পাশে দাঁড়িয়ে নাসিরের হুঁশিয়ারি ‘জুমলা পার্টি’কে

দিলজিতের পাশে দাঁড়িয়ে নাসিরের হুঁশিয়ারি ‘জুমলা পার্টি’কে! ‘সর্দারজি ৩’ সিনেমাকে ঘিরে বিতর্কের কেন্দ্রে এখন পঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের উপস্থিতিতে শুরু হয়েছে চরম সমালোচনা। কেউ…

July 1, 2025
1 min read

দিলজিতের পাশে দাঁড়িয়ে নাসিরের হুঁশিয়ারি ‘জুমলা পার্টি’কে!

‘সর্দারজি ৩’ সিনেমাকে ঘিরে বিতর্কের কেন্দ্রে এখন পঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের উপস্থিতিতে শুরু হয়েছে চরম সমালোচনা। কেউ কেউ তো ভারতের মাটিতে দিলজিৎকে নিষিদ্ধ করার দাবিও তুলেছেন। এমন সময় দিলজিতের পাশে দাঁড়িয়ে কড়া বার্তা দিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। নাম না করে এক রাজনৈতিক দলকে তিনি সরাসরি আক্রমণ করলেন, যাঁদের তিনি ‘জুমলা পার্টি’ বলে চিহ্নিত করেছেন।

নাসিরুদ্দিন এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, “আমি দিলজিতের পাশে আছি। ‘জুমলা পার্টি’র লোকজন শুধু ওকে আক্রমণ করার একটা সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। ছবিতে কে অভিনয় করবেন, সেটা কোনও শিল্পীর এক্তিয়ারে পড়ে না। তা ঠিক করেন পরিচালক ও প্রযোজক। কিন্তু দুঃখের বিষয়, পরিচালককে কেউ চিনেও না। কারণ দিলজিৎ বিখ্যাত, তাই তাকেই নিশানা করা সহজ।”

তিনি আরও বলেন, “দিলজিতের মনে কোনও বিদ্বেষ নেই, ও কোনও রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার জন্য এই ছবি করেনি। যারা আজ ওর দেশভক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তারা নিজেরাই কুপমণ্ডূকতা ও বিদ্বেষের মুখ হয়ে উঠেছে।”

তবে এখানেই থেমে থাকেননি এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এইসব লোকেদের একটাই উদ্দেশ্য— ভারত ও পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে কোনও রকম ব্যক্তিগত সম্পর্ক না থাকুক। অথচ পাকিস্তানে আমারও আত্মীয় রয়েছে। তাঁদের সঙ্গে আমার যোগাযোগ কেউ ছিন্ন করতে পারবে না। আর যারা এসব শুনে আমায় বলবে ‘পাকিস্তানে চলে যান’, আমি তাঁদের বলব, আপনারা বরং ‘কৈলাসে চলে যান’।’’ তাঁর এই মন্তব্য দেশজুড়ে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে।

উল্লেখ্য, ‘সর্দারজি ৩’-র শুটিং ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে, সেই সময় পাকিস্তানি শিল্পীদের কাজ করার উপর ভারতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি। পরে পহেলগাঁও ঘটনার পর পাকিস্তানি কলাকুশলীদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সেই সময় থেকে কিছু গোষ্ঠী দিলজিতের সিনেমাটি ভারতে নিষিদ্ধ করার দাবিতে সরব হয়। যদিও সিনেমাটি এখনও ভারতে মুক্তি পায়নি, তবে আন্তর্জাতিক স্তরে মুক্তি দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন দিলজিৎ ও ছবির নির্মাতারা।

এই পরিস্থিতিতে নাসিরুদ্দিন শাহের বক্তব্য শুধু দিলজিতের প্রতি সমর্থনের বার্তা নয়, এটি একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া, যেখানে শিল্পীর স্বাধীনতা, মানবিক যোগাযোগ এবং বিদ্বেষ রাজনীতির বিরোধিতার বার্তা ধ্বনিত হয়েছে।

চাইলে আমি এই বিতর্কের পটভূমিতে একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বা সাংস্কৃতিক প্রভাব ভিত্তিক প্রবন্ধও তৈরি করে দিতে পারি।

নেতানিয়াহুর দুর্নীতি মামলার শুনানি স্থগিত, ট্রাম্পের সমর্থনের ছায়া কি পড়ল আদালতের সিদ্ধান্তে?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *