বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কোয়েল, রাজ্যসভায় মনোনয়নও জমা!
রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। সোমবার সকালে সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যসভা উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্রও জমা দেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শশী অগ্নিহোত্রী তাঁর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন।
বিজেপিতে যোগ দিয়ে কোয়েল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নের কাজ হচ্ছে। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গে আরও কাজ আসুক।” রাজনীতিতে আসার কারণ ব্যাখ্যা করে তাঁর বক্তব্য, “পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে যুক্ত হতে চাই।” রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে তাঁকে বেছে নেওয়ার জন্য দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদও জানান তিনি।
তবে নতুন দলে যোগ দিয়েই পুরনো দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেননি কোয়েল। তাঁর কথায়, “প্রত্যেকটা দল নিজেদের মতো ভাল কাজ করার চেষ্টা করে।” তিনি আরও জানান, সকলের জন্য কাজ করতে চান এবং মানুষের মঙ্গলের দিকে নজর রাখাই তাঁর লক্ষ্য।
কোয়েলের রাজনীতিতে পথচলা শুরু হয়েছিল এ বছরই। তৃণমূল তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী করার পর ৬ এপ্রিল সাংসদ হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কোনও অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগেই ১৬ জুলাই রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দেন। তাঁর পদত্যাগের পর ওই আসনে উপনির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ইস্তফার পর থেকেই কোয়েলের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা চলছিল। ১৬ জুলাই পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তখন কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছিল না।
রবিবার বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভা উপনির্বাচনের প্রার্থী হিসাবে কোয়েলের নাম ঘোষণা করে। সোমবার তিনি দলে যোগ দিয়ে মনোনয়ন জমা দেন। আগামী ১৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনে ভোট হওয়ার কথা।
কোয়েলের আগে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইকও সাংসদপদ ছেড়ে পরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদেরও রাজ্যসভায় ফের প্রার্থী করেছিল বিজেপি। কোয়েলের ক্ষেত্রেও সেই একই ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন দেখা গেল।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।