ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে নামার আগে ইস্টবেঙ্গলের পরিকল্পনা জানালেন হাবাস!
চার্চিল ব্রাদার্সকে হারিয়ে আইএসএলে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল। তবে স্বস্তিতে থাকার সময় বেশি নেই লাল-হলুদের। আগামী ২৩ অক্টোবর ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে আইএসএলে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে দল। তার পরেই ওমানের উদ্দেশে রওনা দিতে হবে। সেখানে ২৭ অক্টোবর এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এর ম্যাচে আল সিবের মুখোমুখি হবে ইস্টবেঙ্গল। অল্প সময়ের মধ্যে পর পর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ সামলানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানালেন কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ় হাবাস।
ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে ম্যাচের দু’দিন আগে লখনউয়ে সাংবাদিক বৈঠকে হাবাস জানান, দলের প্রয়োজনে প্রথম একাদশে পরিবর্তন আনতে হতে পারে। তবে পর্যাপ্ত ফুটবলার থাকায় সেই সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হবে না বলেই তাঁর আশা।
হাবাস বলেন, “পরিবর্তন তো করতেই হবে। তবে আমাদের দলে অনেক ফুটবলার আছে। সকলেই প্রথম একাদশে খেলার যোগ্য। তাই কোনও সমস্যা হবে না।”
পর পর ম্যাচ, তবু অজুহাত দিতে নারাজ হাবাস
ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে খেলার পর দ্রুত ওমানে পৌঁছে আল সিবের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। এই অল্প সময়ের মধ্যে ভ্রমণ, অনুশীলন এবং ফুটবলারদের শারীরিক প্রস্তুতির মধ্যে ভারসাম্য রাখা কোচের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সূচি নিয়ে কোনও অজুহাত দিতে চান না হাবাস।
তাঁর লক্ষ্য স্পষ্ট—প্রতিটি ম্যাচে জয়ের জন্য মাঠে নামা। হাবাসের কথায়, “যে দল ট্রফি জিততে চায়, তাদের এগুলো নিয়ে ভাবলে চলবে না। সব রকম চ্যালেঞ্জের জন্য তাদের তৈরি থাকতে হবে। আমরা তৈরি।”
দলের ফুটবলারদের চোট নিয়েও সতর্ক লাল-হলুদ কোচ। পর পর ম্যাচের মধ্যে নতুন করে চোটের সমস্যা তৈরি হলে পরিকল্পনায় বদল আনতে হতে পারে। তাই ইন্টার কাশী ও আল সিবের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে দলের সবাইকে সুস্থ রাখাই গুরুত্বপূর্ণ।
হাবাস বলেন, “পর পর ম্যাচ খেলতে হবে। তবে আমরা তৈরি। আশা করছি কারও চোট লাগবে না। চোটের জন্য পরিকল্পনা বদলাতে হবে না।”
ইন্টার কাশী ম্যাচ শুধু প্রস্তুতি নয়
এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এর ম্যাচের আগে ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে খেলতে নামলেও সেই ম্যাচকে আল সিবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি হিসেবে দেখতে নারাজ হাবাস। তাঁর মতে, দুই প্রতিযোগিতার ম্যাচের পরিস্থিতি আলাদা। তাই দু’টি ম্যাচকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
চার্চিল ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে জয়ের ফলে দলের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সেই জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে চান না তিনি। দলের খেলার আরও উন্নতি প্রয়োজন বলেও মনে করছেন হাবাস।
তিনি বলেন, “প্রথম ম্যাচে জিতেছি। ভাল লাগছে। আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তবে দুটো ম্যাচ সম্পূর্ণ আলাদা। কোনও সম্পর্ক নেই। তবে এখনও উন্নতির জায়গা রয়েছে। আমাদের এখনও উন্নতি করতে হবে।”
জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই লক্ষ্য
আইএসএলে ভাল শুরু করার পর এ বার ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে সেই ছন্দ ধরে রাখাই ইস্টবেঙ্গলের লক্ষ্য। পাশাপাশি, ওমানে আল সিবের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্যও দলকে প্রস্তুত রাখতে হবে। ফলে ফুটবলারদের ঘুরিয়ে খেলানো এবং সঠিক সময়ে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
হাবাসের বক্তব্যে স্পষ্ট, ম্যাচের ঘনঘটা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে প্রতিটি লড়াইয়ের জন্য আলাদা পরিকল্পনা নিয়েই এগোতে চায় ইস্টবেঙ্গল। এখন দেখার, পর পর দুই প্রতিযোগিতায় মাঠে নেমে লাল-হলুদ কতটা ধারাবাহিকতা দেখাতে পারে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।