নেমারের ছেলেকেই চিনতে পারল না পুলিশ! মাঠে ঢুকতে বাধা, বাবাকে দেখে ছুটলেন ব্রাজ়িল তারকা

নেমারের ছেলেকেই চিনতে পারল না পুলিশ!! বাবার সঙ্গে দেশের জয় উদ্‌যাপন করতে চেয়েছিল ছোট্ট দাভি লুকা। কিন্তু ব্রাজ়িল-স্কটল্যান্ড ম্যাচ শেষে মাঠে নামার সময়ই ঘটল অপ্রত্যাশিত ঘটনা। নেমারের ছেলেকেই চিনতে পারলেন…

June 26, 2026
1 min read

নেমারের ছেলেকেই চিনতে পারল না পুলিশ!!

বাবার সঙ্গে দেশের জয় উদ্‌যাপন করতে চেয়েছিল ছোট্ট দাভি লুকা। কিন্তু ব্রাজ়িল-স্কটল্যান্ড ম্যাচ শেষে মাঠে নামার সময়ই ঘটল অপ্রত্যাশিত ঘটনা। নেমারের ছেলেকেই চিনতে পারলেন না নিরাপত্তারক্ষীরা। অনুপ্রবেশকারী ভেবে তাঁকে আটকে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে শেষ পর্যন্ত ছেলের কাছে ছুটে যান নেমার নিজেই।

দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর ব্রাজ়িলের জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন নেমার। তাই এই ম্যাচ ঘিরে আবেগ ছিল তুঙ্গে। স্বাভাবিক ভাবেই পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন স্টেডিয়ামে। ম্যাচ শেষে সতীর্থদের সঙ্গে জয় উদ্‌যাপন করার পর গ্যালারির দিকে এগিয়ে যান ব্রাজ়িলের তারকা। সেখানেই ছিলেন তাঁর ছেলে দাভি লুকা।

বাবাকে দেখেই গ্যালারি থেকে মাঠে নামার চেষ্টা করে ১৪ বছরের দাভি। কিন্তু দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। তাঁদের ধারণা হয়, কোনও দর্শক অনুমতি ছাড়াই মাঠে ঢোকার চেষ্টা করছে। তাই দাভিকে আটকে দেন তাঁরা।

এই দৃশ্য চোখে পড়তেই নেমার দ্রুত সেখানে এগিয়ে যান। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁরা বুঝতে পারেন, ওই কিশোর আসলে নেমারেরই ছেলে। এরপর মাঠে নামার অনুমতি দেওয়া হয় দাভিকে। মাঠে ঢুকেই বাবাকে জড়িয়ে ধরে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি করে সে। পরে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গেও ব্রাজ়িলের জয় উদ্‌যাপন করেন নেমার।

ম্যাচের পরে মাঠে উপস্থিত ছিলেন নেমারের বান্ধবী ব্রুনা বিয়ানকার্ডি। তাঁদের সন্তান মেভি ও মেলও ছিল সেখানে। সন্তানদের কোলে নিয়ে উচ্ছ্বাসে মাততে দেখা যায় নেমারকে। দাভি লুকা নেমারের প্রথম সন্তান, যাঁর জন্ম ২০১১ সালে প্রাক্তন বান্ধবী ক্যারোলিনা ডান্টাসের ঘরে। এরপর নেমারের পরিবার আরও বড় হয়েছে। ব্রুনার সঙ্গে তাঁর দুই সন্তান রয়েছে। এ ছাড়াও নেমারের আরও এক সন্তান রয়েছে মডেল আমান্ডা কিম্বারলির সঙ্গে।

চলতি বিশ্বকাপে নেমারের খেলা নিয়েও শুরুতে অনিশ্চয়তা ছিল। চোটের কারণে দীর্ঘ দিন মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। তবে ব্রাজ়িলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি অভিজ্ঞ এই তারকাকে দলে রেখেছেন। কারণ, দেশের জার্সিতে ১২৯ ম্যাচ খেলা নেমারের অভিজ্ঞতা যে গুরুত্বপূর্ণ, তা তিনি জানেন।

স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরুতে প্রথম একাদশে ছিলেন না নেমার। তবে দ্বিতীয়ার্ধে তাঁকে ওয়ার্ম আপ করতে দেখা যায়। ৭৬ মিনিটে মাঠে নামেন তিনি। ৯৮১ দিন পর ব্রাজ়িলের জার্সিতে ফেরার মুহূর্তে গ্যালারিতে শুরু হয় উচ্ছ্বাস। দল তখন এগিয়ে থাকায় চাপও ছিল না তাঁর উপর।

তবে ম্যাচ শেষে দেখা যায় অন্য এক নেমারকে। সতীর্থদের আলিঙ্গন, সমর্থকদের ভালোবাসা— সব মিলিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। জার্সিতে মুখ ঢেকে চোখের জল ফেলতে দেখা যায় ব্রাজ়িলের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে। আর সেই আবেগঘন রাতেই ছেলেকে নিয়ে মাঠে নামার ছোট্ট ঘটনাও হয়ে রইল বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *