নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার বিজেপি বিধায়কের ভাইপো: পাঁচ বছরের পলাতক অবশেষে ধরা পড়ল পুলিশের জালে

নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার বিজেপি বিধায়কের ভাইপো! পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা! এক নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়কের ভাইপোকে অবশেষে পাঁচ বছর পর গ্রেফতার করল পুলিশ। ২০২০ সালের পর থেকে…

October 28, 2025
1 min read

নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার বিজেপি বিধায়কের ভাইপো!

পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা! এক নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়কের ভাইপোকে অবশেষে পাঁচ বছর পর গ্রেফতার করল পুলিশ। ২০২০ সালের পর থেকে পলাতক ছিলেন অভিযুক্ত, অবশেষে মঙ্গলবার পশ্চিম বর্ধমানের রাজবাঁধ এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করা হয়েছে।


📍 ঘটনার সারাংশ এক নজরে

বিষয়বিস্তারিত
ঘটনার স্থানকাঁকসা, পশ্চিম বর্ধমান
অভিযুক্তের পরিচয়স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের ভাইপো
অভিযোগের তারিখ৫ মে ২০২০
অপরাধের ধরননাবালিকা ধর্ষণ
গ্রেফতারের স্থানরাজবাঁধ, পশ্চিম বর্ধমান
গ্রেফতারের সময়কালপাঁচ বছর পর (অক্টোবর ২০২৫)
বর্তমান অবস্থাদুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ

⚖️ পাঁচ বছর পালিয়ে বেড়ানো অভিযুক্ত

২০২০ সালে কাঁকসা থানায় দায়ের হওয়া মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত যুবক গা-ঢাকা দিয়েছিলেন। আদালতের একাধিক সমন জারি হলেও হাজিরা দেননি তিনি। পুলিশের দাবি, গত পাঁচ বছর ধরে তিনি ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়িয়েছিলেন। অবশেষে, সূত্রের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাজবাঁধ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।


🗣️ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে তীব্র তরঙ্গ। তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন,

“বিজেপির নেতারা ধর্ষণ নিয়ে ভাষণ দেন, আজ আমরা মঞ্চ তৈরি করব — আসুন, এবারও বলুন।”

অন্যদিকে, অভিযুক্তের কাকা তথা বিজেপি বিধায়ক জানিয়েছেন,

“পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, আদালত বিচার করবে। আমি শুধু জানি, ওর (ভাইপোর) সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল।”

অভিযুক্তের দাবি, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।


🧩 সমাজে বার্তা ও আইনগত দিক

এ ধরনের ঘটনা সমাজে নারী নিরাপত্তা ও আইনি জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ভারতের POCSO আইন অনুযায়ী, নাবালিকা ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ, যার শাস্তি আজীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন ভারতের সরকারি পোর্টালে: https://legislative.gov.in/.


🔗 আরও পড়ুন


🧠 উপসংহার

পাঁচ বছরের দীর্ঘ তদন্তের পর অবশেষে গ্রেফতার হলেন অভিযুক্ত। তবে আদালতের রায় না আসা পর্যন্ত সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সামাজিক উত্তেজনার মাঝেও এই ঘটনা আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়—ন্যায়বিচার পেতে সময় লাগলেও, আইনের জাল থেকে কেউ চিরকাল পালাতে পারে না।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *