বড় সিদ্ধান্ত নিলেন ঊষসী চক্রবর্তী!
পুজোর মরসুমে নতুন অভিজ্ঞতা নিতে কলকাতা ছাড়ছেন অভিনেত্রী ঊষসী চক্রবর্তী। অভিনয়ের পাশাপাশি যোগাভ্যাসে বিশেষ দক্ষতা রাখেন তিনি। নিজের ফিটনেস ও মানসিক শান্তির জন্য এবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঊষসী – দক্ষিণ ভারতের এক প্রাচীন শাস্ত্রীয় যোগাসনকেন্দ্রে কয়েক দিনের জন্য প্রশিক্ষণ নেবেন।
সমাজমাধ্যমে এই খবর নিজেই জানান ঊষসী। একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “বিরতি নিচ্ছি। আমার অনুরাগীদের জন্য এই বিশেষ শুভেচ্ছাবার্তা – পুজোয় আমি কলকাতায় থাকছি না। বেড়াতে যাচ্ছি না, দক্ষিণ ভারতের এক শাস্ত্রীয় যোগাসনকেন্দ্রে যাচ্ছি। ঠিক কোথায়, তা পরে জানাব।”
ঊষসী স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই প্রশিক্ষণ শুধুমাত্র নিজের অভ্যাস ও অনুশীলনের জন্য। “এক মাসের জন্য এই কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নেব। পরে শেখানো সম্ভব হলে শেখাব, নইলে শুধু নিজের জন্যই যাচ্ছি,” বলেছেন অভিনেত্রী।
এই বিশেষ যাত্রায় মোবাইল ফোন নেওয়াও হবে না। ঊষসী এই সময়টাকে ‘ডিজিটাল ডিটক্স’-এর সময় হিসেবে কাটাবেন। মানসিক শান্তি ও শরীরের সুস্থতার জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি বলেও তিনি মনে করছেন। পুজোর সময়ে সুষম খাদ্য ও যোগাসনের গুরুত্বের কথাও জানিয়েছেন ঊষসী। তিনি বলেছেন, “পুজোয় মন ও পেট ভরে খাওয়াদাওয়া করুন। সুস্থ থাকুন, ফিরে এসে শরীর-মন দুইই ফিট রাখার পরামর্শ দেব।”
সদা স্বাস্থ্য সচেতন এই অভিনেত্রী তার অনুরাগীদের মাঝে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে চাইছেন। তাঁর এই সিদ্ধান্ত শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যদেরও অনুপ্রেরণা যোগাবে এমনটাই মনে করেন ভক্তরা। পুজোর রঙিন আবহে এই ধরনের আত্মউন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে বিশেষ।
ঊষসীর অনুরাগীরা জানেন, তিনি নিয়মিত জটিল যোগাসনের ছবি ভাগ করেন। এবার প্রশিক্ষণ শেষে হয়তো নতুন কিছু অভ্যাস শিখে তাঁরা সমাজমাধ্যমে ভাগ করবেন। তবে আপাতত মনোযোগ শুধুমাত্র নিজের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে।
পুজোর আনন্দে মগ্ন থাকলেও নিজের স্বাস্থ্যের জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া অভিনেত্রীর প্রমাণ করে, বিখ্যাত হওয়া মানেই সবসময় ব্যস্ত থাকা নয়; নিজের জন্য সময় নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। ঊষসীর এই ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ এবং প্রাচীন যোগাভ্যাসের প্রশিক্ষণ যেন ভক্তদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস।
পুজোর মধ্যেই নতুন অভিজ্ঞতা, মানসিক শান্তি এবং শারীরিক সুস্থতার জন্য কলকাতা ছাড়ছেন ঊষসী। মোবাইল ফোনের বাইরেও এই যাত্রা যেন একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়ে ওঠে তাঁর জীবনে।