দেরিতে এলেন শাহিদ–তৃপ্তি, মেজাজ হারিয়ে অনুষ্ঠান ছাড়লেন নানা পাটেকর! কী ঘটেছিল পর্দার আড়ালে?

দেরিতে এলেন শাহিদ–তৃপ্তি! একই মঞ্চে শাহিদ কপূর, তৃপ্তি ডিমরী ও নানা পাটেকর— এমন জমাটি উপস্থিতি ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। কিন্তু মুম্বইয়ে ‘ও রোমিয়ো’ ছবির পোস্টার উন্মোচন অনুষ্ঠানে ঘটল এক…

January 22, 2026
1 min read

দেরিতে এলেন শাহিদ–তৃপ্তি!

একই মঞ্চে শাহিদ কপূর, তৃপ্তি ডিমরী ও নানা পাটেকর— এমন জমাটি উপস্থিতি ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। কিন্তু মুম্বইয়ে ‘ও রোমিয়ো’ ছবির পোস্টার উন্মোচন অনুষ্ঠানে ঘটল এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। মেজাজ হারিয়ে অনুষ্ঠানের মাঝপথেই বেরিয়ে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর। প্রশ্ন উঠল— শাহিদ ও তৃপ্তির উপরেই কি রেগে গেলেন তিনি?

২১ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল ‘ও রোমিয়ো’র পোস্টার লঞ্চ। সময়মতোই অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে যান নানা পাটেকর। ছবিতে তাঁর চরিত্র গুরুত্বপূর্ণ, তাই উপস্থিতি ছিল প্রত্যাশিত। কিন্তু সমস্যা শুরু হয় সময় নিয়ে। জানা যায়, দুপুর দেড়টা নাগাদ অনুষ্ঠানে পৌঁছন ছবির নায়ক শাহিদ কপূর ও নায়িকা তৃপ্তি ডিমরী। প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় নানাকে।

অপেক্ষার সেই সময়টাই যেন চাপে ফেলেছিল তাঁকে। যদিও পোস্টার উন্মোচন পর্বে উপস্থিত ছিলেন নানা, কিন্তু এরপর প্রচার ঝলক মুক্তির আগেই তিনি চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়েন। না কোনও বড় বক্তব্য, না কোনও নাটকীয়তা— শুধু জানিয়ে দেন, এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর পরে আর থাকছেন না। তারপরই অনুষ্ঠান ছেড়ে বাড়ি ফিরে যান তিনি।

এই ঘটনাকে ঘিরে মুহূর্তে শুরু হয় জল্পনা। অনেকেই ধরে নেন, শাহিদ ও তৃপ্তির দেরিতেই চটে গিয়েছেন নানা। তবে বিষয়টি নিয়ে দ্রুত মুখ খোলেন ছবির পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ। তাঁর বক্তব্যে অনেকটাই জল ঢেলে দেন তিনি।

বিশাল জানান, শাহিদ ও তৃপ্তির দেরি একেবারেই ইচ্ছাকৃত ছিল না। ছবির প্রচার উপলক্ষে তাঁদের একাধিক জায়গায় যেতে হচ্ছিল, সেই ব্যস্ততার কারণেই নির্ধারিত সময়ে পৌঁছনো সম্ভব হয়নি। পরিচালক স্পষ্ট করে বলেন, এই ঘটনায় তিনি মোটেই মনঃক্ষুণ্ণ নন।

বরং নানার স্বভাব নিয়েই মজার সুরে মন্তব্য করেন বিশাল। তিনি বলেন, “নানা ঠিক ক্লাসের সেই ছেলেটার মতো, যে সবাইকে একটু বিরক্ত করতে ভালবাসে। ও ভীষণ রসিক মানুষ। ওর সঙ্গে সময় কাটাতে সবাই পছন্দ করে। যদি ও থাকত, আমাদেরও ভাল লাগত।” এরপরই নানার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ তুলে বিশাল জানান, “ও নিজেই উঠে বলল— ‘এক ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়েছ, তাই আমি এ বার বাড়ি যাচ্ছি।’ এটা পুরোপুরি ওর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।”

সবশেষে পরিচালক যোগ করেন, যাঁরা নানাকে চেনেন, তাঁরা জানেন— এই ধরনের ঘটনায় তাঁর উপর রাগ করা অসম্ভব। তাঁর স্পষ্টভাষী মনোভাব ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বভাব নতুন কিছু নয়।

সব মিলিয়ে, এই ঘটনা যতটা না রাগের বহিঃপ্রকাশ, তার চেয়ে বেশি নানার স্বভাবসিদ্ধ স্পষ্টতা। আর সেটাই হয়তো তাঁকে আজও আলাদা করে চেনায়।

‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *