শখের বাগানে জায়গা করে নিক এই ‘রঙবদলু’ ফুলগাছ
একই গাছে ফুটছে ফুল, অথচ প্রতিদিন তার রং বদলে যাচ্ছে! প্রথম দিনে গাঢ় বেগনি, দ্বিতীয় দিনে হালকা, আর তৃতীয় দিনে একেবারে সাদা। সঙ্গে রয়েছে মৃদু সুবাসও। শখের বাগানকে একটু অন্য রকম করে তুলতে এমন গাছের জুড়ি মেলা ভার।
গাছটির নাম ব্রুনফেলসিয়া। দক্ষিণ আমেরিকা, বিশেষ করে ব্রাজিল ও পেরুর এই গাছ উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বেশ ভাল ভাবে বেড়ে ওঠে। ভারতের আবহাওয়াতেও তাই এটি মানিয়ে নিতে পারে।
ঝোপের মতো দেখতে ব্রুনফেলসিয়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য তার ফুল। ফোটার প্রথম দিন ফুলের রং থাকে গাঢ় বেগনি। পরের দিন সেই রং কিছুটা ফিকে হয়ে আসে। তৃতীয় দিনে ফুল হয়ে যায় সাদা। ফলে একই গাছে একসঙ্গে তিন রঙের ফুল দেখা যেতে পারে। উজ্জ্বল সবুজ পাতার সঙ্গে এই রঙিন ফুলের বৈপরীত্য গাছটির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়।
টবে লাগাবেন কী ভাবে?
ব্রুনফেলসিয়া আয়তাকার ঝুড়ি থেকে সাধারণ টব—বিভিন্ন ধরনের পাত্রেই বেড়ে উঠতে পারে। তবে পাত্রে ভাল জল নিকাশির ব্যবস্থা থাকা জরুরি। দোঁআশ মাটি এই গাছের জন্য উপযুক্ত। গোড়ায় জল জমে থাকলে গাছের ক্ষতি হতে পারে, তাই সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
এই গাছের জন্য খুব বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। মাঝেমধ্যে শুকনো ফুল ও প্রয়োজনমতো কাণ্ড ছেঁটে দিলেই গাছটি সুন্দর থাকে। ভাল ফুল পেতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর সার প্রয়োগ করা যেতে পারে।
তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ হচ্ছে কি না, সেটাও নজরে রাখা দরকার। বিশেষ করে অ্যাফিড এবং মাইটের উৎপাত এই ধরনের গাছে দেখা দিতে পারে।
বারান্দাতেও জমবে রঙের খেলা
বারান্দার বাগান কিংবা বাড়ির পাঁচিলে বাক্স করে ব্রুনফেলসিয়া লাগানো যায়। দূর থেকে গাছের সবুজ পাতার মাঝে ফুটে থাকা বেগনি, হালকা রঙের এবং সাদা ফুলের সমাহার বেশ আকর্ষণীয় দেখায়।
তবে বাড়িতে পোষ্য থাকলে একটু সতর্ক থাকা প্রয়োজন। গাছের পাতা বা ফুল পোষ্য চিবিয়ে ফেললে বিপদ হতে পারে। তাই পোষ্যের নাগালের বাইরে গাছটি রাখা ভাল।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।