ঠান্ডা আবহাওয়াকেই দায়ী করলেন আরশাদ নাদিম!
কমনওয়েলথ গেমসে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে না পেরে সমালোচনার মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের অলিম্পিক্সজয়ী জ্যাভলিন তারকা আরশাদ নাদিম। প্রতিযোগিতার ফাইনালে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নেওয়ার পর অবশেষে নীরবতা ভেঙে নিজের ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। নাদিমের দাবি, গ্লাসগোর তীব্র ঠান্ডা ও প্রবল বাতাসের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারাই তাঁর হতাশাজনক ফলের প্রধান কারণ।
দেশে ফিরে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে নাদিম বলেন, “অনেকেই নানা কথা বলছেন। কিন্তু পৃথিবীতে এমন কোনও ক্রীড়াবিদ নেই, যে নিজের সেরাটা দিতে চায় না। আমিও সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।”
পাকিস্তানের তুলনায় গ্লাসগোর আবহাওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল বলেই তাঁর প্রস্তুতি কাজে লাগেনি বলে জানান তিনি। নাদিমের কথায়, “পাকিস্তানে আমরা গরম আবহাওয়ায় অনুশীলন করি। এখানে খুব ঠান্ডা ছিল, তার সঙ্গে জোরে বাতাসও বইছিল। এই পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারিনি।”
অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী এই জ্যাভলিন নিক্ষেপকারীর দাবি, ঠান্ডার প্রভাব এতটাই বেশি ছিল যে শরীর স্বাভাবিক ভাবে নড়াচড়াই করছিল না। তিনি বলেন, “অনেক প্রতিযোগিতায় আমি জ্যাভলিন ছোড়ার সময় শরীরের পুরো গতি ব্যবহার করি, অনেক সময় মাটিতেও পড়ে যাই। কিন্তু এখানে ঠান্ডার কারণে শরীর শক্ত হয়ে গিয়েছিল। হাত ঠিকমতো নড়ছিল না, ফলে নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ছুড়তেই পারিনি।”
কমনওয়েলথে ব্যর্থ হলেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছেন নাদিম। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ২১ অগস্ট লুসানে অনুষ্ঠিত ডায়মন্ড লিগে অংশ নেবেন। সেখানে আবারও মুখোমুখি হতে পারেন ভারতের নীরজ চোপড়া এবং কমনওয়েলথ গেমসের সোনাজয়ী শ্রীলঙ্কার রুমেশ থরঙ্গা পাথিরাগের।
কমনওয়েলথ গেমসে হতাশাজনক ফলের পর নাদিমের এই ব্যাখ্যা তাঁর সমর্থকদের কাছে কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও, ডায়মন্ড লিগে তাঁর পারফরম্যান্সই বলে দেবে এটি শুধুই এক দিনের ব্যর্থতা ছিল, নাকি চোট ও ফর্মের সমস্যাও এর পিছনে ভূমিকা রেখেছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?