ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্কঘিরে নতুন বিতর্ক: ৯০ দিনে ৩,৭০০ স্টক লেনদেন, উঠছে ‘স্বার্থের সংঘাত’-এর প্রশ্ন

ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক! মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump আবারও বড় বিতর্কের কেন্দ্রে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Bloomberg-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ— মাত্র ৯০ দিনের মধ্যে ট্রাম্প…

May 23, 2026
1 min read

ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump আবারও বড় বিতর্কের কেন্দ্রে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Bloomberg-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ— মাত্র ৯০ দিনের মধ্যে ট্রাম্প ও তাঁর ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টারা প্রায় ৩,৭০০টি স্টকের লেনদেন করেছেন।

এই লেনদেনগুলির মধ্যে ছিল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও গণমাধ্যম খাতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার শেয়ার। অভিযোগ উঠেছে, মার্কিন সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কোম্পানিগুলির শেয়ার কেনাবেচা করে আর্থিক লাভ তুলেছেন তাঁরা।


কোন কোন সংস্থার শেয়ার নিয়ে বিতর্ক?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের লেনদেনের তালিকায় ছিল—

  • NVIDIA
  • Microsoft
  • Amazon
  • Boeing
  • Meta Platforms
  • Oracle Corporation

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এই সংস্থাগুলির ব্যবসা অনেকাংশে মার্কিন প্রশাসনের নীতি, রফতানি অনুমতি, প্রতিরক্ষা চুক্তি বা প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের উপর নির্ভরশীল। ফলে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এ ধরনের বিনিয়োগকে “Conflict of Interest” বা স্বার্থের সংঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।


কেন বাড়ছে সন্দেহ?

সমালোচকদের দাবি, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ঘটনার পরেই সংশ্লিষ্ট শিল্পক্ষেত্রের শেয়ারের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়—

  • ভেনেজ়ুয়েলার তেলসম্পদ ঘিরে মার্কিন পদক্ষেপের পরে জ্বালানি সংস্থার শেয়ার চড়ে যায়
  • ইরান সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রতিরক্ষা শিল্পের শেয়ার বৃদ্ধি পায়
  • প্রযুক্তি ও AI নীতির পরিবর্তনে টেক কোম্পানিগুলির বাজারমূল্য বাড়ে

ঠিক এই সময়েই বিপুল শেয়ার কেনাবেচা হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে— প্রশাসনিক তথ্য বা নীতিগত সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছিল কি না।


“অস্বাভাবিক” বলছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা

ব্রোকারেজ সংস্থা টাটল ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের প্রধান ম্যাথিউ টাটল বলেছেন, ক্ষমতায় থাকা কোনও রাষ্ট্রনেতার পক্ষে এত বিপুল শেয়ার লেনদেন “খুবই অস্বাভাবিক”।

অন্য দিকে, হোয়াইট হাউস অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, প্রেসিডেন্ট শুধুমাত্র আমেরিকার অর্থনৈতিক স্বার্থেই কাজ করছেন এবং কোনও বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়নি।


‘ট্রাম্প ফোন’ বিতর্কও ফের আলোচনায়

এই শেয়ার বিতর্কের পাশাপাশি আবার সামনে এসেছে তথাকথিত “সোনালি ট্রাম্প স্মার্টফোন”-এর প্রসঙ্গও। ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসায়িক উদ্যোগে ঘোষিত সেই ফোনের জন্য বহু মানুষ অগ্রিম টাকা জমা দিলেও এখনও পর্যন্ত পণ্য হাতে পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

সমালোচকদের মতে, এই দুই বিতর্ক একসঙ্গে সামনে আসায় নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান শিবির চাপে পড়তে পারে।


রাজনৈতিক প্রভাব কতটা?

মার্কিন রাজনীতিতে আর্থিক স্বচ্ছতা বরাবরই অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। বিশেষত কোনও প্রেসিডেন্ট বা তাঁর পরিবারের ব্যবসায়িক কার্যকলাপ যদি সরকারি নীতির সঙ্গে মিশে যায়, তা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে ওঠে।

বর্তমানে তদন্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে ওয়াল স্ট্রিট, রাজনৈতিক মহল এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *