জ্যৈষ্ঠ অমাবস্যায় একসঙ্গে শনিজয়ন্তী ও ফলহারিণী কালীপুজো!
চলতি বছর ১৬ মে জ্যৈষ্ঠ অমাবস্যা তিথিতে একসঙ্গে পালিত হচ্ছে Shani Jayanti এবং Phalaharini Kali Puja। হিন্দু ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, এই তিথিতেই জন্ম হয়েছিল শনিদেবের। আবার মা কালীর ফলহারিণী রূপের আরাধনাও করা হয় এই দিন।
জ্যোতিষ ও শাস্ত্র মতে, এই বিশেষ তিথিতে কিছু কাজ শুভ বলে মনে করা হলেও কয়েকটি কাজ একেবারেই নিষিদ্ধ বলে ধরা হয়। বিশ্বাস করা হয়, নিয়ম ভঙ্গ করলে অশুভ প্রভাব পড়তে পারে জীবনে।
জ্যৈষ্ঠ অমাবস্যায় কোন কাজগুলি এড়িয়ে চলবেন?
১. ক্ষৌরকর্ম না করা
এই দিনে চুল কাটা, দাড়ি কামানো বা নখ কাটাকে অশুভ বলে মনে করা হয়। শাস্ত্র মতে, অমাবস্যা তিথিতে এই ধরনের কাজ করলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
২. বয়োজ্যেষ্ঠ বা জীবজন্তুকে কষ্ট দেওয়া
বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে কাউকে অপমান করা বা অবলা প্রাণীকে কষ্ট দিলে শনিদেব ও মা কালীর অসন্তোষের মুখে পড়তে হতে পারে। তাই সকলের সঙ্গে নম্র আচরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
৩. তামসিক খাবার ও নেশা এড়ানো
অমাবস্যার দিনে নিরামিষ আহার করাই শুভ বলে ধরা হয়। আমিষ খাবার, মদ্যপান বা অন্য কোনও নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ না করাই ভাল বলে মনে করেন অনেকেই।
৪. গভীর রাতে নির্জন স্থানে না যাওয়া
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, অমাবস্যায় নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে রাতে একা নির্জন স্থানে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অনেকেই মনে করেন, রাতে চুল খোলা রেখে বাইরে বেরোনোও অনুচিত।
৫. নতুন কাজ শুরু না করা
অমাবস্যা তিথিকে সাধারণত নতুন উদ্যোগ বা শুভ কাজ শুরুর জন্য অনুকূল মনে করা হয় না। তাই নতুন ব্যবসা, বড় কেনাকাটা বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এ দিন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন অনেক জ্যোতিষী।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন?
ফলহারিণী কালীপুজোয় বিশ্বাস করা হয়, মা কালী ভক্তদের খারাপ কর্মফল থেকে মুক্তি দেন। আবার শনিজয়ন্তীতে শনিদেবের আরাধনা করলে জীবনের বাধা, ঋণ, দুঃখ ও কর্মক্ষেত্রের সমস্যার উপশম হয় বলে অনেকে মনে করেন।
তবে এগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রাচীন রীতিনীতির উপর ভিত্তি করে প্রচলিত ধারণা। ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আচার অনুযায়ী মানুষ এই দিন পালন করে থাকেন।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা