জার্মানির গুরুদ্বারে সংঘর্ষ!
জার্মানির এক গুরুদ্বারে হঠাৎই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে। ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন। ঘটনাটি ঘটেছে Moers শহরে, যা Dortmund থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূরে। গোটা ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, গুরুদ্বারের পরিচালন সমিতি গঠন নিয়ে বিরোধ থেকেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হতে পারে। নতুন কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমান ও প্রাক্তন সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মতবিরোধ চলছিল বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৪০ জন এই সংঘর্ষে জড়িত থাকতে পারেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। কেউ কেউ ধারালো অস্ত্র, ‘পেপার স্প্রে’ এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও বন্দুক উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, প্রার্থনা শুরু হওয়ার ঠিক আগে আচমকাই এক পক্ষ হামলা চালায়। প্রথমে ‘পেপার স্প্রে’ ব্যবহার করা হয়, তারপর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, তিনি গুলির শব্দও শুনেছেন এবং কয়েক জনের হাতে ছুরি দেখেছেন।
এই ঘটনার পেছনে গুরুদ্বারের তহবিল সংক্রান্ত মতবিরোধও একটি কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই বিরোধই কি শেষ পর্যন্ত সহিংসতায় রূপ নিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ঘটনার পরপরই এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী। অন্তত এক জনকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর। তবে এখনও পর্যন্ত পুরো ঘটনার কারণ বা কারা এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী—তা স্পষ্ট নয়।
Germany-এর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেই জানানো হয়েছে, তবে এমন ধর্মীয় স্থানে সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?