জামুই কাণ্ডে নাবালকদের পরিচয় ফাঁস, ১২০ সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর

জামুই কাণ্ডে নাবালকদের পরিচয় ফাঁস! বিহারের জামুইয়ে দুই নাবালক-নাবালিকার হেনস্থার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এ বার কড়া পদক্ষেপ পুলিশের। ভিডিয়ো ছড়ানোর পাশাপাশি আক্রান্ত কিশোরীর পরিচয় প্রকাশের অভিযোগে প্রায় ১২০টি…

September 22, 2026
1 min read

জামুই কাণ্ডে নাবালকদের পরিচয় ফাঁস!

বিহারের জামুইয়ে দুই নাবালক-নাবালিকার হেনস্থার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এ বার কড়া পদক্ষেপ পুলিশের। ভিডিয়ো ছড়ানোর পাশাপাশি আক্রান্ত কিশোরীর পরিচয় প্রকাশের অভিযোগে প্রায় ১২০টি সমাজমাধ্যম প্রোফাইলের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে সাইবার পুলিশ। একই সঙ্গে ভিডিয়োটি আর ছড়ানো না এবং আক্রান্তদের পরিচয় প্রকাশ না করার জন্য সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছে পুলিশ।

জামুইয়ের পুলিশ সুপার বিশ্বজিৎ দয়াল জানিয়েছেন, নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ করে ভিডিয়ো ছড়ানো গুরুতর অপরাধ। পুলিশ জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনায় পকসো আইন, তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং জুভেনাইল জাস্টিস আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় পদক্ষেপ করা হতে পারে। ভিডিয়ো সরিয়ে নেওয়ার জন্যও সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

আইন অনুযায়ী, পকসো আইনের ২৩ নম্বর ধারায় কোনও শিশুর নাম, ঠিকানা, ছবি, পরিবার, স্কুল বা এমন কোনও তথ্য প্রকাশ করা নিষিদ্ধ, যা থেকে তার পরিচয় জানা যেতে পারে। এই বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ছ’মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত জেল, জরিমানা অথবা দু’টিই হতে পারে।

কী ঘটেছিল জামুইয়ে?

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কোচিং থেকে ফেরার পথে দশম শ্রেণির এক কিশোর ও কিশোরী স্কুটারে মারওয়া পাহাড়ে গিয়েছিল। ফেরার সময় একদল যুবক তাঁদের পথ আটকায় বলে অভিযোগ। দু’জনকে স্কুটার থেকে নামিয়ে হেনস্থা করা হয়। পালানোর চেষ্টা করলে তাঁদের পিছনেও ধাওয়া করা হয়। ঘটনার ভিডিয়ো ওই দলেরই কেউ রেকর্ড করে বলে অভিযোগ।

ভিডিয়োটি পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তা প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। ঘটনাটির তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা SIT গঠন করা হয়েছে। ভিডিয়ো দেখে পুলিশ এখনও পর্যন্ত সাত-আট জনের ভূমিকা চিহ্নিত করেছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে জানানো হয়েছে। তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত নন্দন যাদব মঙ্গলবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বাকি অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং পুরো ঘটনার পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে নাবালকদের পরিচয় প্রকাশ করে ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ায় পুলিশের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। পুলিশের বক্তব্য, আক্রান্তদের গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তাই ভিডিয়োটি ডাউনলোড, শেয়ার বা পুনরায় পোস্ট না করার জন্য সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন সমাজমাধ্যমে কোনও তথ্য ছড়ানোর আগে আইনি বিধিনিষেধের বিষয়টিও মাথায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *