ব্যাডমিন্টনে সেরা লিয়োশা ও সার্থক!
জাতীয় সাব জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে অনূর্ধ্ব-১৩ বিভাগে মেয়েদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হলেন তেলঙ্গানার লিয়োশা কোরুকণ্ডা। ছেলেদের বিভাগে সেরার শিরোপা উঠল উত্তরাখণ্ডের সার্থক যোশীর হাতে। হরিনাভির স্টার ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে বাংলার কোনও খেলোয়াড় জায়গা করে নিতে না পারলেও তাঁদের লড়াই নজর কেড়েছে।
মেয়েদের সিঙ্গলস ফাইনালে লিয়োশার সামনে ছিলেন তাঁরই রাজ্যের শানভি রেড্ডি নিম্মা। দুই তরুণীর লড়াই অবশ্য বেশ জমেছিল। শেষ পর্যন্ত ১৫-১০, ১৫-১২ ব্যবধানে শানভিকে হারিয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন লিয়োশা।
ছেলেদের ফাইনালে সার্থকের প্রতিপক্ষ ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের রেহান দুদেকুলা। সেখানেও দু’টি গেমেই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন উত্তরাখণ্ডের খেলোয়াড়। ১৫-১২, ১৫-১০ ব্যবধানে রেহানকে হারিয়ে খেতাব জিতে নেন সার্থক।
এই প্রতিযোগিতার বিশেষত্ব ছিল সিঙ্গলসের ফাইনালিস্টদের ডাবলসেও একসঙ্গে দেখা গিয়েছে। ছেলেদের ডাবলসে সার্থক ও রেহান জুটি হিসাবে খেলেন। ফাইনালে তাঁদের প্রতিপক্ষ ছিল রাজস্থানের লোকেশ গুরজার ও রক্ষিত সিং। ১৬-১৪, ১৫-১২ ব্যবধানে সেই ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় সার্থক-রেহান জুটি।
মেয়েদের ডাবলসে অবশ্য সিঙ্গলসের দুই ফাইনালিস্টের জুটি খেতাব জিততে পারেনি। লিয়োশা ও শানভি জুটির সামনে ছিলেন মহারাষ্ট্রের হেজেল যোশী ও দিভিশা সিং। ১৬-১৪, ১৫-৬ ব্যবধানে লিয়োশা-শানভিকে হারিয়ে মেয়েদের ডাবলসের চ্যাম্পিয়ন হয় মহারাষ্ট্রের জুটি।
হরিনাভির এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল ঘিরে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়াজগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। অতিথিদের মধ্যে ছিলেন বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সচিব জহর দাস এবং আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত।
বাংলার কোনও প্রতিযোগী ফাইনালে উঠতে না পারলেও গোটা প্রতিযোগিতায় স্থানীয় খেলোয়াড়দের লড়াই ছিল উল্লেখযোগ্য। ঘরের মাঠে জাতীয় স্তরের এই প্রতিযোগিতা নতুন প্রজন্মের শাটলারদের সামনে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরার বড় সুযোগও করে দিল।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।