‘গুজরাতের পর বাংলাই দ্বিতীয় কর্মভূমি’, ২০৩৫-এর মধ্যে রাজ্যে ১ লক্ষ কোটি লগ্নির ঘোষণা আদানির

গুজরাতের পর বাংলাই দ্বিতীয় কর্মভূমি! গুজরাতের পর পশ্চিমবঙ্গকেই নিজের দ্বিতীয় ‘কর্মভূমি’ হিসেবে তুলে ধরলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। বৃহস্পতিবার নিউ টাউনে ২,০০০ শয্যার ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে…

September 24, 2026
1 min read

গুজরাতের পর বাংলাই দ্বিতীয় কর্মভূমি!

গুজরাতের পর পশ্চিমবঙ্গকেই নিজের দ্বিতীয় ‘কর্মভূমি’ হিসেবে তুলে ধরলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। বৃহস্পতিবার নিউ টাউনে ২,০০০ শয্যার ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

সকালে নিউ টাউনে যাওয়ার আগে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেন আদানি। পরে হাসপাতালের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে বাংলায় বক্তব্য শুরু করেন তিনি। বলেন, ‘‘নমস্কার, কলকাতাকে আমার প্রণাম, বাংলার মাটিকে আমার প্রণাম।’’ বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

নিউ টাউনের এই হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ এবং গবেষণাকেন্দ্র তৈরিতে প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে বলে জানান আদানি। ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’ হবে একটি অলাভজনক ২,০০০ শয্যার চিকিৎসাকেন্দ্র। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এর অর্ধেক শয্যা আর্থিক ভাবে দুর্বল রোগীদের জন্য রাখা হবে। তাঁদের সরকারি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

আদানির দাবি, এই প্রকল্প ঘিরে সরাসরি ও পরোক্ষ ভাবে প্রায় ১০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। হাসপাতালের পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজ এবং আধুনিক গবেষণাকেন্দ্রও তৈরি হবে। নিউ টাউনের অ্যাকশন এরিয়া-২-এ প্রায় ৫১ একর জমিতে প্রকল্পটি গড়ে উঠবে।

শুধু স্বাস্থ্যক্ষেত্রেই নয়, আগামী বছরগুলিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বণ্টন, বন্দর, লজিস্টিক্স, রাস্তা, সেতু, গ্রিন সিমেন্ট এবং হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টারের মতো একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। সব মিলিয়ে ২০৩৫ সালের মধ্যে রাজ্যে এক লক্ষ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে গৌতম আদানি বলেন, ‘‘গুজরাতে মুন্দ্রা বন্দর ছিল আমার প্রথম কর্মভূমি। এ বার বাংলা আমার দ্বিতীয় কর্মভূমি।’’ পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশপথ এবং সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলার গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে।

এ দিন আদানি গোষ্ঠীর তরফে কলকাতার ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও পরিকাঠামোর উন্নয়নেও সহযোগিতার কথা জানানো হয়। নিউ টাউনের অনুষ্ঠানে গৌতম আদানির সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী প্রীতি আদানি এবং ছেলে করণ আদানি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *