খালি পেটে ব্যায়াম থেকে সাদামাঠা খাবার— সুস্থ থাকার সহজ মন্ত্র কী ভাবে মেনে চলেন শাহিদ কপূর?

সুস্থ থাকার সহজ মন্ত্র কী ভাবে মেনে চলেন শাহিদ কপূর? দুই সন্তানের বাবা, একের পর এক ছবির শুটিং, দীর্ঘ কর্মব্যস্ত দিন— তবু শরীরচর্চা আর স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন থেকে একচুলও সরে আসেন…

January 22, 2026
1 min read

সুস্থ থাকার সহজ মন্ত্র কী ভাবে মেনে চলেন শাহিদ কপূর?

দুই সন্তানের বাবা, একের পর এক ছবির শুটিং, দীর্ঘ কর্মব্যস্ত দিন— তবু শরীরচর্চা আর স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন থেকে একচুলও সরে আসেন না শাহিদ কপূর। বলিউডে ফিটনেস আইকন হিসেবে পরিচিত এই অভিনেতার মতে, সুস্থ থাকার জন্য কোনও জাদুকরী ডায়েট বা কড়া নিয়ম নয়, সবচেয়ে জরুরি হল নিয়ম মেনে জীবনযাপন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের দৈনন্দিন রুটিন ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে খোলাখুলি কথা বললেন তিনি।

শাহিদের বিশ্বাস, শরীর ও মন দু’টিকেই সুস্থ রাখতে হলে তাতে ধারাবাহিকতা থাকা চাই। এক দিন কড়া ডায়েট, পরের দিন সব ছেড়ে দেওয়া— এই ওঠানামা তাঁর পছন্দ নয়। বরং সহজ, বাস্তবসম্মত অভ্যাসই দীর্ঘদিন ধরে মেনে চলেন তিনি।

সকাল শুরু হয় কী ভাবে?

সকালে ঘুম ভাঙার পরই নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করেন শাহিদ। তাঁর কথায়, “এই অভ্যাসটা আমার সকালটাকে হালকা করে দেয়। শরীর সতেজ লাগে, মনও অনেক শান্ত থাকে।” শুটিং থাকলে সেটে পৌঁছনোর অন্তত সাড়ে তিন ঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠে পড়েন তিনি। কারণ, শরীরচর্চা, তৈরি হওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় দরকার— এই তিনটির কোনওটাকেই তিনি কম গুরুত্ব দিতে চান না।

শাহিদের আর একটি উল্লেখযোগ্য অভ্যাস হল খালি পেটে ব্যায়াম। ভোরের দিকে শরীরচর্চা সেরে নিলে সারা দিনের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায় বলে মনে করেন তিনি।

কী ধরনের ব্যায়াম করেন?

শাহিদের ওয়ার্কআউট রুটিন একঘেয়ে নয়। তিনি নিয়মিত শক্তিবৃদ্ধির ব্যায়াম করেন, পাশাপাশি শরীরের সচলতা বাড়ানোর স্ট্রেচিং ও মুভমেন্ট এক্সারসাইজও করেন। কার্ডিয়ো তাঁর রুটিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কখনও আবার খেলাধুলোর মাধ্যমে নিজেকে সক্রিয় রাখেন তিনি। তাঁর মতে, শরীরচর্চা মানে শুধু জিমে ঘাম ঝরানো নয়— শরীরকে আনন্দের সঙ্গে নড়াচড়া করানোই আসল।

সারা দিনে কী খান শাহিদ?

নিরামিষাশী শাহিদ খাবারের ক্ষেত্রেও ভীষণ সাদামাঠা। ঘরোয়া রান্নাই তাঁর প্রথম পছন্দ। তিনি বলেন, “আমি সারা দিনে প্রচুর শাকসব্জি খাই। সঙ্গে থাকে ডাল, দানাশস্য। ভারী, তেল-মশলাদার বা অস্বাস্থ্যকর খাবার আমি এড়িয়ে চলি।” রাত খুব দেরিতে খাওয়ার অভ্যাসও নেই তাঁর।

মেপে মেপে খাবার ওজন করা বা ক্যালোরি গোনার পক্ষপাতী নন শাহিদ। বরং অল্প অল্প করে বার বার খাওয়াতেই তিনি স্বচ্ছন্দ। এতে শরীর হালকা থাকে, হজমও ভালো হয়— এমনটাই তাঁর অভিজ্ঞতা।

সব মিলিয়ে শাহিদ কপূরের ফিটনেস রহস্য কোনও কঠিন নিয়মে বাঁধা নয়। খালি পেটে ব্যায়াম, সহজ শরীরচর্চা, ঘরোয়া খাবার আর সবচেয়ে বড় কথা— নিয়ম মেনে চলা। সুস্থ থাকার এই সহজ সূত্রই তাঁকে বছরের পর বছর ফিট ও চনমনে রাখছে।

‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *