কাশ্মীরে সেনা-সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার দুই জঙ্গি সহযোগী, উদ্ধার বিপুল অস্ত্রশস্ত্র

কাশ্মীরে সেনা-সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার! জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ানের ডিকে পোরা এলাকা থেকে ভারতীয় সেনা ও সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা জঙ্গিদের সহযোগী…

May 19, 2025
1 min read

কাশ্মীরে সেনা-সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার!

জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ানের ডিকে পোরা এলাকা থেকে ভারতীয় সেনা ও সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা জঙ্গিদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছিল। পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে। এই অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে পিস্তল, গ্রেনেডসহ বিভিন্ন ধরনের বিপজ্জনক অস্ত্র। স্থানীয় পুলিশ ইতোমধ্যে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।

সোপিয়ানের ডিকে পোরা এলাকায় ভারতীয় সেনার ৩৪ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের বিশেষ টিম এবং সিআরপিএফ জওয়ানেরা এক গোপন সূত্র থেকে খবর পেয়ে তল্লাশি অভিযান চালায়। সন্দেহ করা হয় ওই এলাকায় জঙ্গিরা লুকিয়ে আছে। তাই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে অস্ত্রশস্ত্রসহ ধরা পড়ে। সোপিয়ান পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত এই দুই ব্যক্তি জঙ্গিদের সহযোগিতা করতেন এবং তাদের মাধ্যমে জঙ্গিরা গোপন কার্যক্রম চালাতো।

ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি পিস্তল, ৪৩ রাউন্ড গুলি, চারটি গ্রেনেড, পাশাপাশি আরও কিছু বেআইনি সামগ্রী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে তারা কোন জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতো, কীভাবে লুকিয়ে অস্ত্র সরবরাহ করতো, তার খোঁজে পুলিশ কাজ করছে। এছাড়াও, তাদের থেকে জঙ্গিদের গোপন ডেরার তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

উল্লেখযোগ্য যে, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় এক আতঙ্কজনক জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। ওই ঘটনার পর থেকেই কাশ্মীরের নিরাপত্তা বাহিনী অধিক তৎপরতা নিয়ে কাজ করছে। পহেলগাঁও হামলার মূল অভিযুক্ত জঙ্গিদের এখনো ধরা পড়েনি এবং তাদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং সেনাবাহিনী পুরো উপত্যকায় মিলিয়ে অভিযান চালাচ্ছে।

এর আগেও বেশ কয়েকজন জঙ্গি সহযোগীকে পুলিশ ধরেছে, কিন্তু হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও সক্রিয় জঙ্গিরা এখনও অধরা। নিরাপত্তা বাহিনী এই জঙ্গি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কঠোরভাবে অভিযান চালাচ্ছে এবং ক্রমশ তাদের নেটওয়ার্ক ভাঙতে সচেষ্ট।

কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই গ্রেফতারের ঘটনা নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে গণ্য হচ্ছে। তবে জঙ্গি তৎপরতা এখনও পুরোপুরি নির্মূল হয়নি, তাই তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেই জানানো হয়েছে।

কন্যাকে বিশেষ কারণে কান-এ নিয়ে যান ঐশ্বর্যা! বিদেশি উৎসবে আরাধ্যার প্রিয় মুহূর্ত কী?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *