কালীঘাটের বাড়ির সামনে মমতাকে ছুরি নিয়ে হামলার চেষ্টার অভিযোগ!!
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির সামনে তাঁকে আক্রমণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলল তৃণমূলের একাংশ। সাংসদ দোলা সেনের দাবি, ছুরি হাতে এক মহিলা মমতার উপর হামলার চেষ্টা করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি জানিয়ে কালীঘাট থানার ওসিকে ইমেল করেছেন দোলা।
কী অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের?
দোলা সেনের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত মহিলার নাম তন্নিষ্ঠা সাহা। তিনি এক জন সিভিক ভলান্টিয়ার বলে দাবি করেছেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর আরও অভিযোগ, ওই মহিলা নিজেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাগ্নি বলে পরিচয় দেন। যদিও এই পরিচয়ের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।
দোলা সেনের দাবি, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে ওই মহিলা হাজির হন। অভিযোগ, তাঁর হাতে ছুরি ছিল এবং তিনি মমতার উপর হামলার চেষ্টা করেন। বাড়ির দরজার সামনে দাঁড়িয়ে গালিগালাজ করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। পরে ওই মহিলা রাস্তায় শুয়ে পড়েন বলেও দাবি করেছেন দোলা।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে বিষয়টি কালীঘাট থানার নজরে এনেছেন তৃণমূল সাংসদ। থানার ওসিকে পাঠানো ইমেলে তিনি ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
অভিযুক্তকে ঘিরে আরও অভিযোগ
দোলা সেনের বক্তব্যে অভিযুক্ত মহিলার আচরণ ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ, তন্নিষ্ঠা মাদকাসক্ত। তবে এই দাবি সমর্থন করার মতো কোনও চিকিৎসাগত তথ্য বা পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি। ফলে অভিযোগটিকে এখনও নিশ্চিত তথ্য হিসেবে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
একই ভাবে, ছুরি নিয়ে হামলার চেষ্টা হয়েছিল কি না, অভিযুক্তের হাতে সত্যিই অস্ত্র ছিল কি না এবং ঘটনার সময় ঠিক কী হয়েছিল, সেগুলিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য প্রমাণ থাকলে সেগুলি যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
পুলিশের তদন্তের দিকেই নজর
কালীঘাট থানার ওসিকে ইমেল করে অভিযোগ জানানোর পর এখন পুলিশের পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয়, অভিযুক্ত মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কি না এবং ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে কী তথ্য উঠে আসে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে এমন ঘটনার অভিযোগ স্বাভাবিক ভাবেই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। পুলিশি তদন্তের পরেই ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি, অভিযুক্তের ভূমিকা এবং হামলার চেষ্টার অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। তাই দোলা সেনের অভিযোগ এবং যাচাই করা তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি। পরবর্তী সময়ে পুলিশ কী জানায়, তার উপরই ঘটনার পরবর্তী গতিপ্রকৃতি নির্ভর করছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।