কারাগারের ফটকে আবার বিয়ে!
বাংলাদেশি গায়ক মইনুল আহসান নোবেল আবারও শিরোনামে—এই বার একেবারে কারাগারের গেটে দাঁড়িয়েই বিয়ে করলেন তিনি! অভিযোগকারী মহিলাকেই আদালতের নির্দেশে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন নোবেল। পুরো বিষয়টিই যেন সিনেমার চেয়েও নাটকীয়!
বৃহস্পতিবার আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল, অভিযোগকারিণীকে বিয়ে করতে হবে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই নির্দেশ কার্যকর করলেন নোবেল। ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান ফটকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানাচ্ছে, দুই পক্ষের চারজন করে সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন। এই বিয়ে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন, জল্পনা, উত্তেজনা।
কী ছিল অভিযোগ?
এই কাহিনির সূত্রপাত কিছুদিন আগে, যখন এক তরুণী নোবেলের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ আনেন। বলা হয়, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে তাঁকে স্টুডিয়ো দেখানোর নামে ডেকে নিয়ে গিয়ে শারীরিক অত্যাচার করেন নোবেল। অভিযোগ অনুযায়ী, তরুণীর মোবাইল কেড়ে নিয়ে তা ভেঙে দেন, এমনকি গোটা ঘটনার ভিডিয়ো রেকর্ড করে তা ভাইরালও করেন তিনি।
তরুণীর দাবি, সাত মাস ধরে তাঁকে জোর করে নিজের সঙ্গে আটকে রাখেন নোবেল। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে তিনি মুক্তি পান। এই ঘটনার পরেই গায়ককে গ্রেফতার করে ডেমরা থানা পুলিশ, এবং ২০ মে থেকে কারাগারে ছিলেন তিনি।
নোবেলের পাল্টা দাবি
গ্রেফতারির পরে আদালতে দাঁড়িয়ে নোবেল দাবি করেন, অভিযোগকারী তরুণী আসলে তাঁর স্ত্রী। কিন্তু সেই দাবি প্রমাণ করার মতো কোনও আইনি নথি তিনি দিতে পারেননি। এতে আদালত আরও ক্ষুব্ধ হয় এবং মামলার প্রেক্ষিতে বিয়ে করার নির্দেশ দেয়।
বিয়ের পর নোবেল জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ মান্য করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। যদিও এই বিবাহের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কারণ তাঁর প্রথম স্ত্রী সালসাবেল মাহমুদের সঙ্গে বিচ্ছেদের কোনও স্পষ্ট আইনি প্রমাণ এখনও পর্যন্ত সামনে আসেনি।
বিমানের প্রতি ভয় বাড়ছে? দুর্ঘটনার পরে যাত্রীদের মনে ঘনীভূত ‘ফ্লাইট অ্যাংজাইটি’