কলকাতা লিগে ভবানীপুরের রক্ষণে আটকে ইস্টবেঙ্গল, ১-১ ড্রয়ে শীর্ষে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া লাল-হলুদের

কলকাতা লিগে ভবানীপুরের রক্ষণে আটকে ইস্টবেঙ্গল! সপ্তাহখানেক আগে মোহনবাগানকে হারিয়ে চমক দিয়েছিল ভবানীপুর। এ বার কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও দারুণ লড়াই করে ১-১ গোলে ম্যাচ ড্র করল তারা। ফলে টানা…

August 15, 2026
1 min read

কলকাতা লিগে ভবানীপুরের রক্ষণে আটকে ইস্টবেঙ্গল!

সপ্তাহখানেক আগে মোহনবাগানকে হারিয়ে চমক দিয়েছিল ভবানীপুর। এ বার কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও দারুণ লড়াই করে ১-১ গোলে ম্যাচ ড্র করল তারা। ফলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট ভাগ করে নিতে হল লাল-হলুদকে। শীর্ষে ওঠার সুযোগও হাতছাড়া হল তাদের।

সাত ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এ’-তে এখনও শীর্ষে ভবানীপুর। ইস্টবেঙ্গল এক ম্যাচ কম খেলে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়। সাত ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মোহনবাগান।

প্রথমার্ধে গোলের দেখা নেই

মোহনবাগানের পর ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও ভবানীপুরের ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাসী ফুটবল নজর কাড়ে। সাহিল হরিজন এবং জিতেন মুর্মু একাধিক বার লাল-হলুদ রক্ষণকে চাপে ফেলেন। অন্য দিকে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ডান প্রান্ত ধরে বার বার আক্রমণে উঠছিলেন বিজয় মুর্মু।

দুই দলই সুযোগ তৈরি করলেও প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনও গোল হয়নি। ইস্টবেঙ্গল একাধিক সুযোগ নষ্ট করায় বিরতিতে গোলশূন্য অবস্থাতেই মাঠ ছাড়ে দু’দল।

শ্যামলের গোলে এগিয়ে ভবানীপুর, অনন্তুর দুরন্ত শটে সমতা

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যায় ভবানীপুর। গোলটি আসে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলার শ্যামল বেসরার পা থেকে। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর দূরপাল্লার শট পোস্টের কোণ ঘেঁষে জালে জড়িয়ে যায়।

গোল খাওয়ার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। ৪৯ মিনিটে বিজয়ের ক্রস থেকে গোলের সুযোগ তৈরি হলেও কেউ মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। তবে মাত্র তিন মিনিট পরেই সমতা ফেরায় লাল-হলুদ। অনন্তু এমএস বাঁ পায়ের দুর্দান্ত বাঁকানো শটে ভবানীপুরের জালে বল পাঠান।

এর পর জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। বিজয়ের ক্রস থেকে মনোতোষ চাকলাদার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। ৭১ মিনিটে অনন্তুর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সেই বল জালে ঢুকলে কলকাতা লিগের অন্যতম সেরা গোল হতে পারত।

শেষ দিকে সঞ্জীব ঘোষের কাছেও সুযোগ এসেছিল। কিন্তু ভবানীপুরের রবি হাঁসদাও ৮৯ মিনিটে ম্যাচ জেতানোর সুযোগ নষ্ট করেন। ফলে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলেই ম্যাচ শেষ হয়।

ম্যাচের শেষ দিকে উত্তেজনাও তৈরি হয়। ভবানীপুরের ফিজিয়ো কুণাল ঘোষকে লাল কার্ড দেখানো হয়। অভিযোগ, তিনি এরিয়ান গ্যালারির দিকে গিয়ে দর্শকদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ম্যাচের রেফারিং নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ভবানীপুরের কোচ রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে আরও ভাল রেফারিং প্রয়োজন ছিল।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *