কলকাতা লিগে কাস্টমসের কাছে ধাক্কা মোহনবাগানের
কলকাতা লিগে ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না মোহনবাগান। একটি ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর পর এ বার কলকাতা কাস্টমসের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্টও হাতছাড়া করল সবুজ-মেরুন। শনিবারের ম্যাচে ১-০ গোলে জিতে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য তুলে নেয় কাস্টমস। এই হারের ফলে লিগের শিরোপা দৌড়ে আরও চাপ বাড়ল বাস্তব রায়ের দলের উপর।
ম্যাচে শক্তিশালী দলই নামিয়েছিল মোহনবাগান। কলকাতা লিগে নিয়মিত খেলা ফুটবলারদের পাশাপাশি সিনিয়র দলের সদস্য আলেক্স সাজি ও দীপক টাংরিকেও প্রথম একাদশে রাখা হয়েছিল। আগের ম্যাচে চোটের সমস্যা থাকলেও সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ও দলে ছিলেন। কিন্তু শক্তিশালী দল নিয়েও গোলের দেখা পেল না মোহনবাগান।
শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল সবুজ-মেরুন। একের পর এক সুযোগ তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তে গোল করতে ব্যর্থ হন ফুটবলাররা। আক্রমণের ধার থাকলেও ফিনিশিংয়ের অভাবই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।
সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ গড়ে তোলা, সতীর্থদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ তৈরি— সব ক্ষেত্রেই তিনি সক্রিয় ছিলেন। তবে তাঁর তৈরি সুযোগগুলিকে গোলে পরিণত করতে পারেননি সতীর্থরা। নিজেও গোলের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন।
অন্যদিকে, বড় তারকার অভাব থাকা সত্ত্বেও কাস্টমস গোটা ম্যাচে শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল খেলেছে। দ্বিতীয়ার্ধে একবার বল জালে জড়ালেও ফাউলের কারণে সেই গোল বাতিল হয়। তবুও তারা হাল ছাড়েনি। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে পেনাল্টি পায় কাস্টমস। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাজু সোরেন ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন এবং দলকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দেন।
হারের পরও হতাশ হলেও দলের খেলায় ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন মোহনবাগান কোচ বাস্তব রায়। তাঁর মতে, আক্রমণ তৈরি করা এবং দুই প্রান্ত ব্যবহার করার ক্ষেত্রে দল সফল হলেও গোল করার জায়গাতেই ঘাটতি রয়ে গেছে। দ্রুত সেই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার উপরই জোর দিয়েছেন তিনি।
এই পরাজয়ের ফলে কলকাতা লিগের শিরোপার লড়াইয়ে মোহনবাগানের পথ আরও কঠিন হয়ে গেল। এখন ঘুরে দাঁড়াতে হলে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে শুধু ভালো ফুটবল খেললেই হবে না, তৈরি হওয়া সুযোগগুলোকেও গোলে পরিণত করতে হবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।