কলকাতায় ডেঙ্গির ঝুঁকি বাড়ছেই: পরিসংখ্যান ও সতর্কতার আহ্বান

কলকাতায় ডেঙ্গির ঝুঁকি বাড়ছেই! কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের সম্প্রতি প্রকাশিত পরিসংখ্যান (১ জানুয়ারি – ১৫ জুন ২০২৫ পর্যন্ত) অনুযায়ী, এবছর মশাবাহিত ডেঙ্গি সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে । চলতি বছরের ছয় মাসে…

June 27, 2025
1 min read

কলকাতায় ডেঙ্গির ঝুঁকি বাড়ছেই!

কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের সম্প্রতি প্রকাশিত পরিসংখ্যান (১ জানুয়ারি – ১৫ জুন ২০২৫ পর্যন্ত) অনুযায়ী, এবছর মশাবাহিত ডেঙ্গি সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে । চলতি বছরের ছয় মাসে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১১৭ জন—যা গত বছরের একই সময়ে (১৫৭ রোগীর তুলনায়) কিছুটা কম হলেও, ২০২৪ সালের (১০৩ জন) তুলনায় যথেষ্ট বৃদ্ধি।

বর্ষা সবে শুরু হলেও স্বাস্থ্য দফতরের দৃঢ় আশঙ্কা, জুলাই থেকে অক্টোবর এই চার মাসে ডেঙ্গির প্রকোপ তীব্র হয়ে উঠতে পারে অতীত অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝা যাচ্ছে—বর্ষাবার্ষিক এটি একটি মৌসুমী সমস্যা, এবং গত বছরের নভেম্বরেই সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা চুরি-চুরি একটি রেকর্ড গড়ে ছেড়েছে ।

দক্ষিণ কলকাতায় উদ্বেগবর্ধক প্রভাব

ডেটা দেখায়, সাধারণত দক্ষিণ কলকাতার কিছু এলাকার সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বেশি:

  • সাত নম্বর বোরোর পার্ক স্ট্রিট, মল্লিকবাজার, ট্যাংরা ও পার্ক সার্কাসসহ অঞ্চলে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে—২০২৩-এর ১১ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭।
  • আট নম্বর বোরোর গড়িয়াহাট, বালিগঞ্জ, ভবানীপুরে রোগী সংখ্যা ৪ থেকে বেড়ে ৯।
  • ১৩ নম্বর বোরোতে গত বছর ২ থেকে এবার ১০; ১৬ নম্বর বোরোতে ৪ থেকে ৭; আর ১৫ নম্বর বোরোতেও রোগীর সংখ্যা বেড়ে সাত – সবই গত দুই বছরের তুলনায় বাড়তি সংক্রমণ নির্দেশ করে ।

প্রতিকারকেই ফোকাসের কেন্দ্র

শহরের স্বাস্থ্য দফতর ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে—এই বারে “যুদ্ধকালীন তৎপরতা” নেওয়া হবে, বিশেষ করে শিশু এবং স্কুলছাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকে । নির্দেশিকা জারি হয়েছে—‌জল জমতে দেয়া যাবে না, স্কুলগুলোর বাগান নিয়মিত পরিষ্কার থাকতে হবে, এবং পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক অভিযান চালানো হবে ।

কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষও বলেছেন, আক্রান্তের সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পেলেও “কোনও কারণেই উদ্বেগের সময় এখন নয়।” তবুও জনসাধারণকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে ।

ভবিষ্যতের রুখে কথা ও পথ-নির্দেশিকা

  • আগামী চারটি মৌসুম—জুলাই থেকে অক্টোবর—এই সময়ে পুর প্রশাসন এবং নাগরিকরা একযোগে কাজ করবে।
  • পানিতে জমে থাকা এডিস মশার বংশগঠন ঠেকানোর জন্য ড্রেন, টায়ারের দোকান ও খাল, পুকুরসমূহ নিয়মিত পরিদর্শন ও পরিষ্কার করা হবে ।
  • পাশাপাশি, ফোকাস থাকবে— বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্যপরিদর্শন, জ্বরের জঞ্জাল সময়মতো রক্তপরীক্ষা, ও প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা চালু রাখা ।

স্মৃতি ধরে রাখার জাদু: মস্তিষ্কে অ্যাসিটোকোলিন সচল রাখতে রোজকার অভ্যেসে আনুন এই পাঁচ পরিবর্তন

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *