বিশ্বকাপ বিদায়ের পর তীব্র আত্মসমালোচনায় পাক অধিনায়ক!
আরও একবার আইসিসি টুর্নামেন্টে স্বপ্নভঙ্গ। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর হতাশা আর আত্মসমালোচনার সুর শোনা গেল Salman Ali Agha-র গলায়। পাকিস্তান অধিনায়ক স্পষ্ট জানালেন— একজন ছাড়া প্রায় গোটা দলই ব্যর্থ, আর সেই দায় থেকে নিজেকেও সরিয়ে রাখেননি তিনি।
একাই লড়লেন ফারহান
এই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম ওপেনার Sahibzada Farhan। জোড়া শতরান করে তিনি রানতালিকার শীর্ষে উঠেছিলেন। কিন্তু অধিনায়কের মতে, তাঁকে যথেষ্ট সমর্থন দিতে পারেননি দলের অন্য ব্যাটাররা।
সলমনের কথায়,
“পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে আমরা ভালো ব্যাট করতে পারিনি। ফারহান যদি একটু সহযোগিতা পেত, তাহলে ফল অন্য রকম হতে পারত। মিডল অর্ডার কয়েক বছর ধরেই আমাদের বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
নাটকীয় ম্যাচ, তবু লাভ হল না
শেষ ম্যাচে Sri Lanka national cricket team-র বিরুদ্ধে একসময় পাকিস্তানের স্কোর ছিল ১৬ ওভারে উইকেটহীন ১৭৫। কিন্তু সেখান থেকে মাত্র ২৪ বলে ৮ উইকেট পড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২১২ রান তুলেও মাত্র ৫ রানে জিতে থামতে হয়— আর সেই জয়ও সেমিফাইনালের টিকিট এনে দিতে পারেনি।
পাক অধিনায়কের মতে, ইনিংসের শেষটা আরও ভালো করা গেলে পরিস্থিতি বদলাতে পারত।
“১৮ ওভার পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। শেষ দু’ওভারে আমরা ছন্দ হারাই। আরও ১৫–২০ রান হলে ফল অন্য হতে পারত,” বলেন তিনি।
শিশির ও বোলিং— দুই দিকেই ব্যর্থতা
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে শিশির বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে স্বীকার করেছেন সলমন। তবে তিনি এটাও মানেন— বোলিং ইউনিটও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
“আমরা জানতাম শিশির পড়বে, তবু আগে ব্যাট করা ছাড়া উপায় ছিল না। পরে বল ভালো করতে পারলে সুযোগ ছিল। কিন্তু সেটা হয়নি,” বলেন পাক অধিনায়ক।
দায় নিজের কাঁধেও
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়— সলমন শুধু সতীর্থদের নয়, নিজেকেও দায়ী করেছেন। তাঁর কথায় স্পষ্ট, এই ব্যর্থতা দলগত। বিশ্বকাপজুড়ে অধিনায়কত্ব নিয়েও যে প্রশ্ন উঠেছে, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও তাঁর মন্তব্যে আত্মসমালোচনার সুর স্পষ্ট।
আবারও অপূর্ণ স্বপ্ন
এ নিয়ে টানা কয়েকটি আইসিসি প্রতিযোগিতায় ব্যর্থ হল Pakistan national cricket team। প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও ধারাবাহিকতা না থাকাই বারবার তাদের পথ রোধ করছে।
সলমনের মন্তব্য যেন সেই বাস্তবতাই সামনে এনে দিল—
একজনের ঝলক দিয়ে টুর্নামেন্ট জেতা যায় না; প্রয়োজন গোটা দলের সম্মিলিত পারফরম্যান্স।
আর সেই শিক্ষা নিয়েই এবার ঘরে ফিরছে পাকিস্তান, আরও এক অপূর্ণ স্বপ্ন বুকে নিয়ে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?