উত্তরবঙ্গের বন্যা নিয়ে ফের কেন্দ্রকে তোপ মমতার: ‘ড্রেজিং করো, নয়তো বাঁধ ভেঙে দাও!’

উত্তরবঙ্গের বন্যা নিয়ে ফের কেন্দ্রকে তোপ মমতার! রাজ্য বনাম কেন্দ্র—এই বিতর্কে নতুন ইন্ধন যোগাল উত্তরবঙ্গের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। দার্জিলিঙে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ক্ষোভ উগরে দিলেন কেন্দ্রের জলপ্রকল্প…

October 15, 2025
1 min read

উত্তরবঙ্গের বন্যা নিয়ে ফের কেন্দ্রকে তোপ মমতার!

রাজ্য বনাম কেন্দ্র—এই বিতর্কে নতুন ইন্ধন যোগাল উত্তরবঙ্গের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। দার্জিলিঙে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ক্ষোভ উগরে দিলেন কেন্দ্রের জলপ্রকল্প এবং রাজ্যের সেচ দফতরের অকার্যকারিতা নিয়ে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি তিনি তুলে ধরলেন ডিভিসি (DVC) এবং ভুটানের জল ছাড়ার সমস্যা।


📊 বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান

জেলামৃতের সংখ্যাক্ষতিগ্রস্ত মানুষত্রাণ শিবিরউদ্ধার
দার্জিলিং২১৭০,০০০ (প্রায়)৩৭১৩০০+
জলপাইগুড়ি৯———
কোচবিহার২———
মোট৩২———

👉 বিস্তারিত জানুন দার্জিলিঙের পরিস্থিতি নিয়ে (Internal link)


🛑 মমতার অভিযোগগুলো সংক্ষেপে

বিষয়অভিযোগ
ডিভিসিমাইথন ও পাঞ্চেত থেকে অনিয়ন্ত্রিত জলছাড়
ভুটানতাদের জলেই রাজ্যের দুর্যোগ, ক্ষতিপূরণ চাওয়া উচিত
সেচ দফতরকাজ করছে না, পূর্ত দফতরের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা
কেন্দ্র১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনা, জল স্বপ্ন—সবই বন্ধ

📎 অফিসিয়াল রেফারেন্স: Damodar Valley Corporation | West Bengal Disaster Management Authority


💬 মুখ্যমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য

“প্রকৃতিকে নিয়ে খেলা যায় না। নদীকে নিজের মতো বইতে দিতে হয়। হয় ড্রেজিং করো, নয়তো বাঁধ ভেঙে দাও।” – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তিনি আরও বলেন, ভূতানের জলবর্জনের জন্য বাংলার বারবার ক্ষতি হচ্ছে, তাই এখন থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা প্রয়োজন। কেন্দ্র ১৬ অক্টোবর বৈঠক ডাকলেও, মমতা দাবি করেন, রাজ্যের সদস্য না থাকলে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।


🛠️ চলমান ব্যবস্থা ও সহায়তা

  • প্রতি পরিবারকে ₹৫ লক্ষ ক্ষতিপূরণ
  • স্পেশ্যাল হোমগার্ড পদে চাকরি
  • ত্রাণ শিবিরে ২০,০০০+ মানুষ স্থানান্তরিত
  • ডুপ্লিকেট নথি প্রস্তুত, ১৬ হাজার কিট বিতরণ

🟢 আপনি চাইলে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি-এর তহবিলে অনুদান দিতে পারেন।


🔗 আরও পড়ুন:


🧭 উপসংহার

উত্তরবঙ্গের এই দুর্যোগ কেবল প্রকৃতির নয়, প্রশাসনিক ব্যর্থতার ফলও বটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় উঠে এসেছে পরিকল্পনার অভাব ও দায় এড়ানোর রাজনীতি। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—এত দিনেও কেন নদীর নাব্যতা বাড়াতে ড্রেজিং হয়নি? আর কেন কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ে এমন ঘাটতি?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *