ইজরায়েলের প্রযুক্তি হাতে পেয়ে আরও প্রাণঘাতী ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান

প্রাণঘাতী ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান! ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় আরও এক নতুন পালক যোগ হল। ‘মেইক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগে তৈরি হওয়া তেজস এমকে-১এ (Tejas MK-1A) যুদ্ধবিমান এখন আগের থেকেও অনেক বেশি শক্তিশালী।…

July 20, 2025
1 min read

প্রাণঘাতী ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান!

ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় আরও এক নতুন পালক যোগ হল। ‘মেইক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগে তৈরি হওয়া তেজস এমকে-১এ (Tejas MK-1A) যুদ্ধবিমান এখন আগের থেকেও অনেক বেশি শক্তিশালী। কারণ, এই অত্যাধুনিক ফাইটার জেটে যুক্ত হয়েছে ইজরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, যা তেজসকে করে তুলেছে আরও প্রাণঘাতী ও যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর।

ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পে এই উন্নতি নিঃসন্দেহে একটি বড় মাইলফলক। দেশীয় প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করেই ভারত নিজেদের প্রতিরক্ষায় স্বনির্ভর হওয়ার পথ বেছে নিয়েছে। আর সেই রাস্তায় ইজরায়েলি প্রযুক্তির সংযোজন যুদ্ধবিমানের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

কী এই প্রযুক্তি যা তেজসকে আরও শক্তিশালী করল?

ইজরায়েল থেকে আসা ‘ডিরেকশনাল ইনফ্রারেড কাউন্টার মেজার সিস্টেম’ (DIRCM) এবং ‘অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিকালি স্ক্যানড অ্যারে রাডার’ (AESA Radar) হল এই উন্নতির মূল অস্ত্র। DIRCM এমন একটি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি যা যুদ্ধবিমানের দিকে ধেয়ে আসা শত্রুপক্ষের মিসাইলকে শনাক্ত করে তা থেকে বিমানে থাকা পাইলট ও যন্ত্রাংশকে রক্ষা করে। অন্যদিকে, AESA রাডার প্রযুক্তি শত্রুর উপস্থিতি আগে থেকে বুঝে নিতে সাহায্য করে এবং যুদ্ধবিমানকে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম করে।

এই দুটি প্রযুক্তি যোগ হওয়ায় তেজস যুদ্ধবিমান এখন রীতিমতো একটি ‘ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার’ বা শক্তিবর্ধক হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।

যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতের বাড়তি সুবিধা

তেজস এমকে-১এ ইতিমধ্যেই হালকা ও মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে। এর ওজন কম হওয়ায় এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন হওয়ায় এটি বিভিন্ন ভূখণ্ডে দ্রুত গতিতে হামলা ও প্রতিরক্ষা করতে সক্ষম। ইজরায়েলের প্রযুক্তির সমন্বয়ে এখন এটির আক্রমণ ও আত্মরক্ষার ক্ষমতা দুটোই বেড়ে গেছে।

এছাড়াও তেজসে রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র বহনের ক্ষমতা, যেমন বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ মিসাইল (BVR), লেজার গাইডেড বোমা ও স্মার্ট অ্যান্টি-এয়ারফিল্ড অস্ত্র। ফলে শত্রুপক্ষের যেকোনও পরিকল্পনায় একেবারে কার্যকর জবাব দিতে সক্ষম ভারতীয় বায়ুসেনা।

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বার্তা

ইজরায়েলের সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বহু পুরনো। দুটি দেশই সন্ত্রাসবাদ ও যুদ্ধনীতিতে কঠোর অবস্থান নেয়। সেই প্রেক্ষিতে প্রযুক্তি ভাগাভাগি ও যৌথ উন্নয়ন আরও গভীর করছে এই দুই দেশের সম্পর্ককে।

ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে এখন তেজসের উন্নত সংস্করণ তুলে দেওয়া হচ্ছে ধাপে ধাপে। এই বিমানগুলি শুধু দেশীয় নিরাপত্তায় নয়, রফতানির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে ভবিষ্যতে।

উপসংহার

তেজস এমকে-১এ-র এই নতুন রূপ নিঃসন্দেহে ভারতের প্রতিরক্ষাকে আরও আত্মনির্ভর ও আধুনিক করে তুলবে। ইজরায়েলের প্রযুক্তি হাতিয়ার করে দেশের তৈরি যুদ্ধবিমান এখন আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছতে চলেছে। ভারতীয় বায়ুসেনার আকাশপথে এই ঝাঁজ, শুধু আত্মবিশ্বাস নয়, দেশের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও এক নতুন আশ্বাস।

শিক্ষার মন্দিরে নিরাপত্তাহীনতা! দক্ষিণ কলকাতা ল কলেজে পুলিশ পিকেট চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ অধ্যাপকরা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *