আরজি কর মামলায় নীরবতা পরিবারের!
আরজি করের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুন মামলায় নতুন মোড়। Central Bureau of Investigation (সিবিআই)-এর তদন্ত নিয়ে অতীতে সরব হলেও, এখন প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে চাইছেন না নির্যাতিতার পরিবার। শিয়ালদহ আদালতে শুনানির দিন তাঁরা স্পষ্ট জানালেন— “বিচারাধীন বিষয় নিয়ে এখনই কিছু বলতে চাই না।”
🧾 অবস্থান বদল কেন?
নির্যাতিতার মা প্রথমে বলেন, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে “অনেক অভিযোগ” রয়েছে, তবে সেগুলি এখন প্রকাশ্যে তুলতে চান না। পরে আবার বলেন, “আজ কোনও অভিযোগ নেই।” এই দ্বৈত অবস্থানেই তৈরি হয়েছে জল্পনা।
অন্যদিকে, নির্যাতিতার বাবা আরও সংযত। তাঁর বক্তব্য—
👉 “যা বলার ৪ তারিখের পর বলব।”
অর্থাৎ ভোটের ফল ঘোষণার আগে কোনও বিতর্কে যেতে চাইছেন না বলেই মনে করছেন অনেকে।
⚖️ আদালতে কিন্তু প্রশ্ন জারি
বাইরে নীরবতা থাকলেও, আদালতের ভিতরে কিন্তু পরিবারের আইনজীবীরা সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি—
- অভিযুক্ত Sanjay Roy একা এই অপরাধ করতে পারেন না
- তদন্তে আরও জড়িতদের খুঁজে বের করা হয়নি
- সিবিআই যথাযথ ভাবে জেরা করছে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ
এমনকি আইনজীবীর কটাক্ষ— অভিযুক্তকে “ঠান্ডা ঘরে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে”, ফলে ভবিষ্যতে জামিন পেয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
📌 মামলার বর্তমান অবস্থা
- পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়
- আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়
- পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে
- সাম্প্রতিক স্টেটাস রিপোর্টে সিবিআই জানিয়েছে, তারা নতুন করে ৭ জনকে জেরা করেছে
🔍 কী ইঙ্গিত মিলছে?
পরিবারের এই ‘নীরবতা’ অনেক প্রশ্ন তৈরি করছে। বিশেষ করে, আগে যেখানে তাঁরা প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখাতেন, এখন সেখানে সংযম।
বিশেষজ্ঞদের মতে,
- মামলাটি বিচারাধীন হওয়ায় আইনি কৌশল হতে পারে
- অথবা নির্বাচনের আবহে অযথা বিতর্ক এড়ানোর চেষ্টা
সারসংক্ষেপ
আরজি কর কাণ্ডে তদন্ত নিয়ে বিতর্ক থামেনি। তবে আপাতত প্রকাশ্যে চুপ পরিবার। ৪ মে-র পর তাঁদের অবস্থান কী হয়, সেটাই এখন দেখার।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?