অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে নকআউটের দোরগোড়ায় আমেরিকা!
ফুটবল বিশ্বকাপে আয়োজক দেশ আমেরিকার সামনে কার্যত অসহায় আত্মসমর্পণ করল অস্ট্রেলিয়া। ২-০ ব্যবধানে জিতে নকআউট পর্বে ওঠার পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। অথচ আগের ম্যাচে যে অস্ট্রেলিয়া তুরস্ককে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছিল, এই ম্যাচে তাদের সেই পরিচিত লড়াকু মানসিকতা বা আক্রমণাত্মক ফুটবলের দেখা মেলেনি।
শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় আমেরিকা। দ্রুত পাস, উচ্চগতির প্রেসিং এবং মাঝমাঠের দাপটে অস্ট্রেলিয়াকে বারবার চাপে ফেলে তারা। ম্যাচের ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। বাঁ দিক থেকে আসা বিপজ্জনক ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভুল করে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেস।
গোলের পরেও থামেনি আমেরিকা। বরং আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে তারা। মাঝমাঠে টাইলার অ্যাডামস, ওয়েস্টন ম্যাকেনি এবং সের্জিনো ডেস্টের দাপটে বলের দখল প্রায় পুরো সময়ই ছিল আমেরিকার পায়ে। বিশেষ করে ম্যাকেনি খেলার ছন্দ নিয়ন্ত্রণে অসাধারণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর পাস, মুভমেন্ট এবং আক্রমণ গড়ে তোলার দক্ষতা অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণকে বারবার সমস্যায় ফেলে।
অন্য দিকে, অস্ট্রেলিয়া মাঝে মধ্যে কিছু পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও সেগুলি কখনওই ধারাবাহিক হয়ে ওঠেনি। তুরস্কের বিরুদ্ধে যে আগ্রাসী এবং আত্মবিশ্বাসী ফুটবল দেখা গিয়েছিল, তার ছায়াও দেখা যায়নি এ দিন। প্রথমার্ধে তারা কার্যত আমেরিকার চাপে দমবন্ধ অবস্থায় ছিল।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করলেও ম্যাচের রাশ তখন অনেকটাই আমেরিকার হাতে। স্বাগতিকদের সংগঠিত ফুটবল, দ্রুত আক্রমণ এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নষ্ট করে দেয়।
এই জয়ের ফলে নকআউট পর্বে ওঠার পথে বড় পদক্ষেপ করল আমেরিকা। একই সঙ্গে তারা বার্তা দিল, বিশ্ব ফুটবলের শক্তিশালী দলগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো পরিণত এবং আত্মবিশ্বাসী দল হিসেবেই তারা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। অন্য দিকে, অস্ট্রেলিয়াকে এখন পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর উপায় খুঁজতেই হবে, না হলে বিশ্বকাপ অভিযান কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?