সমালোচনার জবাব ব্যাটে দিলেন রোহিত শর্মা!
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত শতরান করে সব জল্পনার কার্যত ইতি টানলেন রোহিত শর্মা। এক দিনের ক্রিকেট থেকে তাঁর অবসর নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে যে আলোচনা চলছিল, তার জবাব দিলেন মাঠেই। ১১০ বলে ১৩৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলার পর ভারতীয় অধিনায়ক স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এখনও তাঁর একমাত্র লক্ষ্য দেশের হয়ে খেলেই যাওয়া এবং ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ জেতা।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডের পর থেকেই রোহিতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছিল। বিভিন্ন মহলে দাবি করা হচ্ছিল, নির্বাচকেরা নাকি ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় তাঁকে আর রাখছেন না। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ কর্তাদেরও হস্তক্ষেপ করতে হয়। তবে সেই সব বিতর্কের কোনও উত্তর কথায় নয়, ব্যাট হাতেই দিলেন রোহিত।
লর্ডসে খেলা তৃতীয় এক দিনের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তিনি। ইংল্যান্ডের বোলারদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে তুলে নেন আন্তর্জাতিক এক দিনের ক্রিকেটে নিজের ৩৪তম শতরান। তাঁর ইনিংসই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয় এবং সমালোচকদেরও কার্যত চুপ করিয়ে দেয়।
ম্যাচের পর বিসিসিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিত বলেন, তাঁর দায়িত্ব একটাই— মাঠে নেমে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা। তিনি বলেন, অভিষেকের দিন থেকে আজ পর্যন্ত তাঁর কাজ একই রয়েছে, আর সেটাই তিনি করে যেতে চান। সমালোচনা প্রসঙ্গে রোহিতের বক্তব্য, ক্রিকেটারদের জীবনে সমালোচনা নতুন কিছু নয়। বরং যত দিন খেলবেন, তত দিন সমালোচনা চলবেই।
রোহিতের কথায়, “সমালোচনা হলে বরং ভালই লাগে। ওগুলো না থাকলে মজাটাই থাকে না। আমার কাজ মাঠের মধ্যে পারফর্ম করা, আর বাইরে কে কী বলছে সেটা নিয়ে আমি ভাবি না।”
তিনি আরও জানান, বাইরের আলোচনা বা গুজব তাঁর পারফরম্যান্সে কোনও প্রভাব ফেলে না। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল দলের সাফল্যে অবদান রাখা এবং প্রতিটি ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়া।
এর মধ্যেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক। টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ক্রিকেট থেকে আগেই অবসর নিলেও ওয়ানডে ক্রিকেট ছাড়ার কোনও পরিকল্পনা তাঁর নেই। বরং ২০২৭ সালের বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই নিজের প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে চান তিনি।
রোহিতের এই মন্তব্যে পরিষ্কার, আপাতত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায়ের কোনও ভাবনাই নেই তাঁর। বরং সমালোচনার জবাব তিনি দিতে চান আগের মতোই— রান করে, ম্যাচ জিতে এবং ভারতকে আরও একটি বিশ্বকাপ জেতানোর লক্ষ্যে এগিয়ে গিয়ে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?