মেসির অ্যাসিস্টে প্লে-অফে মায়ামি!
লিয়োনেল মেসির পা থেকে এল গোলের পাস, আর নিউ ইয়র্ক সিটির বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জিতে মেজর লিগ সকারের প্লে-অফে জায়গা পাকা করল ইন্টার মায়ামি। মেসি নিজে গোল না পেলেও রদ্রিগো ডি পলকে দিয়ে গোল করিয়েছেন। অন্য গোলটি করেন জার্মান বারটেরামে, যাঁর গোলে অবদান রয়েছে লুই সুয়ারেসের। মায়ামির হয়ে প্লে-অফে ওঠার এটি টানা তৃতীয় মরসুম।
মেসির অ্যাসিস্ট, ডি পলের গোলে জয় নিশ্চিত
বুধবার রাতে নিউ ইয়র্ক সিটির বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে মায়ামি। ম্যাচের ২০ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন বারটেরামে। চলতি মরসুমে এটি তাঁর অষ্টম গোল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ান ডি পল। মেসির পাস থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডার।
অন্য দিকে, বারটেরামের গোলের পাস বাড়িয়েছিলেন সুয়ারেস। ফলে গোল না করেও দলের দুই গোলেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মায়ামির দুই তারকা মেসি ও সুয়ারেস।
ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল নিউ ইয়র্ক সিটি। কিন্তু নিকোলাস ফের্নান্দেজ়ের শট আটকে দেন মায়ামির গোলরক্ষক সেন্ট ক্লেয়ার। ফলে কোনও গোল হজম না করেই মাঠ ছাড়ে মায়ামি।
ছন্দে ফিরছে মায়ামি
জুলাইয়ের পর এই প্রথম মেজর লিগ সকারে পর পর দু’টি ম্যাচ জিতল মায়ামি। এর আগে ডিসি ইউনাইটেডকে ৪-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। সেই ম্যাচে মেসি ও সুয়ারেস দু’জনেই জোড়া গোল করেন। কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্রিশ্চিয়ান গঞ্জালেজ়ও এই প্রথম টানা দু’টি ম্যাচে জয় পেলেন।
২০২৩ সালের আগে মেজর লিগ সকারের প্লে-অফে জায়গা করে নিতে পারেনি মায়ামি। মেসি যোগ দেওয়ার পর ২০২৪ সালে প্রথম বার প্লে-অফে ওঠে দলটি। যদিও প্রথম রাউন্ডে আটলান্টার কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। ২০২৫ সালে ভ্যাঙ্কুভারকে হারিয়ে প্রথম বার এমএলএস কাপ জেতে মায়ামি। এ বারও সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তির স্বপ্ন দেখছে দল।
ক্লাবের হয়ে আরও একটি ট্রফির লক্ষ্যে মেসি
আর্জেন্টিনার হয়ে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে একাধিক বড় সাফল্য পেয়েছেন মেসি। এ বার ক্লাবের হয়ে আরও একটি ট্রফি জেতার লক্ষ্যে এগোচ্ছেন তিনি। নিউ ইয়র্ক সিটির বিরুদ্ধে জয় সেই পথেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
মেসির অভিজ্ঞতা, ডি পলের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং সুয়ারেসের আক্রমণাত্মক ভূমিকা মায়ামিকে প্লে-অফে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে। তবে শিরোপা ধরে রাখতে হলে নকআউট পর্বে ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই হবে দলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।