ওয়েস্ট ইন্ডিজ়কে হারিয়েও খুশি নন শ্রেয়স!!
ইনদওরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়কে ১৪ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে ভারত। আগের ম্যাচে ২৫০ রান তাড়া করে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। এ বার ২২৪ রানের লক্ষ্যও পার করতে পারেনি তারা। জয়ের কৃতিত্ব বোলারদের দিলেও দলের ব্যাটিং নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন ভারত অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। বিশেষ করে পর পর উইকেট হারানোর প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
বোলারদের প্রশংসায় শ্রেয়স
ম্যাচের পর ভারতীয় বোলারদের প্রশংসা করেন শ্রেয়স। তাঁর মতে, বোলারেরা নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করেছেন এবং কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিতে পিছপা হননি।
শ্রেয়স বলেন, “বোলারদের আত্মবিশ্বাস ছিল। ওরা জানত, কী করতে হবে। যে পরিকল্পনা করে নেমেছিল, তা বাস্তবে করে দেখিয়েছে। যার হাতেই বল তুলে দিয়েছি, সে চ্যালেঞ্জ নিয়েছে। এটাই তো চাই।”
অর্শদীপ সিংহ ও নমন ধীরের মতো বোলারেরা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের রান তাড়া করার গতি কমিয়ে দেন। তাঁদের পারফরম্যান্সেই শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত হয় ভারতের।
অভিষেক-ঈশানের শুরু, তার পরেই ধস
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই সঞ্জু স্যামসনের উইকেট হারিয়েছিল ভারত। তবে অভিষেক শর্মা ও ঈশান কিশনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় দল। মাত্র ৪০ বলে ১০৮ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। অভিষেক ৩০ বলে ৬৯ এবং ঈশান ১৮ বলে ৩৭ রান করেন।
দু’জনের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল, ভারত অনায়াসে ২৫০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যাবে। কিন্তু আচমকাই ছবিটা বদলে যায়। মাত্র ১৫ বলের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। বড় শট খেলতে গিয়ে একের পর এক ব্যাটার আউট হওয়ায় রান তোলার গতি কমে যায়।
অভিষেক ও ঈশানের প্রশংসা করে শ্রেয়স বলেন, “সত্যি বলতে, ওরা দুর্দান্ত শুরু করেছিল। অভিষেক পাওয়ার প্লে-তে যা করে, সেটাই করেছে। ঈশানও দলে ফেরার পর থেকে গত কয়েক মাসে দুর্দান্ত কিছু ইনিংস খেলেছে।” শেষ দিকে প্রিন্স যাদবের গুরুত্বপূর্ণ রান করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
‘অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ক্ষতির কারণ’
দলের ব্যাটিংয়ের যে জায়গাটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত শ্রেয়স, তা হল পর পর উইকেট হারানো। তাঁর মতে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের মতো দলকে কখনও হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। কয়েক জন ব্যাটারের উপর নির্ভর না করে গোটা দলকেই দায়িত্ব নিতে হবে।
শ্রেয়সের কথায়, “ওয়েস্ট ইন্ডিজ়কে হালকা ভাবে নিলে হবে না। আমাদের ভাবতে হবে, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস অনেক সময় ক্ষতির কারণ হয়। এই সব মাঠে প্রচুর রান হয়। কিন্তু যে ভাবে আমরা পর পর উইকেট হারিয়েছি, তা চিন্তার কারণ। প্রতি ম্যাচে তো আর এক বা দু’জন বাঁচাবে না। সকলকে ভাল খেলতে হবে।”
ভারত ম্যাচ জিতলেও মাঝের ওভারগুলিতে ব্যাটিং বিপর্যয় দলের জন্য সতর্কবার্তা হয়ে থাকল। সিরিজ়ের বাকি ম্যাচগুলিতে এই ভুল শুধরে নেওয়াই এখন শ্রেয়সদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।