৯০ মিনিটেই ডার্বি জেতার হাবাসের চ্যালেঞ্জ, পাল্টা দিমপেরিসের—‘আমাদেরও মনবীর, সাহাল, ছাংতে আছে’

৯০ মিনিটেই ডার্বি জেতার হাবাসের চ্যালেঞ্জ, পাল্টা দিমপেরিসের! ডুরান্ড কাপের ফাইনালের পর ফের ডার্বির মঞ্চে মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। এ বার লড়াই আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে। বৃহস্পতিবার যুবভারতীতে নামার আগে দুই…

October 8, 2026
1 min read

৯০ মিনিটেই ডার্বি জেতার হাবাসের চ্যালেঞ্জ, পাল্টা দিমপেরিসের!

ডুরান্ড কাপের ফাইনালের পর ফের ডার্বির মঞ্চে মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। এ বার লড়াই আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে। বৃহস্পতিবার যুবভারতীতে নামার আগে দুই দলের কোচের কথাতেই ফুটে উঠল আত্মবিশ্বাস। হাবাস যেমন ৯০ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচ শেষ করতে চান, তেমনই ডুরান্ডের হারের বদলা নিতে মরিয়া নন বলে জানালেন মোহনবাগান কোচ পানাজিয়োটিস দিমপেরিস। তাঁর লক্ষ্য শুধু নিজেদের সেরা ফুটবল খেলা।

ডুরান্ড ফাইনালে প্রথমার্ধেই ইস্টবেঙ্গলকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গিয়েছিলেন হাবাস। শিল্ড ফাইনালেও অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারে যেতে চান না তিনি। সাংবাদিক বৈঠকে লাল-হলুদ কোচ বললেন, “পুরো ৯০ মিনিট ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ৯০ মিনিটেই ম্যাচ শেষ করতে হবে। অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারে যাওয়া দলের জন্য ভাল নয়।”

ডুরান্ডের ফল অবশ্য হাবাসের মাথায় নেই। তাঁর মতে, দু’টি ফাইনালের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। হাবাস বলেন, “আমরা ফাইনালের জন্য ১০০ শতাংশ প্রস্তুত। খেলোয়াড়দের উপর আমার বিশ্বাস আছে। ডুরান্ডের ফাইনালের সঙ্গে এই ম্যাচের তুলনা করার কোনও কারণ নেই।”

তবে জাতীয় দলের হয়ে খেলে সদ্য ফেরা ফুটবলারদের নিয়ে কিছুটা চিন্তা রয়েছে তাঁর। প্রভসুখন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং এডমুন্ড লালরিনডিকা জাতীয় শিবির থেকে ফিরেছেন। তাঁদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই প্রথম একাদশ ঠিক করবেন হাবাস। কারণ, শিল্ড ফাইনালের পরেই রয়েছে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এর ম্যাচ।

হাবাসের কথায়, “জাতীয় দল থেকে যারা ফিরছে, তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ট্রেনিংয়ে দেখব ওরা কতটা তৈরি। আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার পর ক্লাবের ফাইনালে নামার ক্ষেত্রে মানসিক প্রভাব থাকতেই পারে।”

ইস্টবেঙ্গলের আত্মবিশ্বাসের অন্যতম কারণ অবশ্য গোলের ধার। নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে ৭-২ হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে লাল-হলুদ। সেই ম্যাচে ডেভিড লালহানসাঙ্গা করেছেন হ্যাটট্রিক। ডুরান্ড ফাইনালেও হ্যাটট্রিক করেছিলেন এডমুন্ড।

এই পরিসংখ্যান যে মোহনবাগান শিবিরকে খুব একটা ভাবাচ্ছে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন দিমপেরিস। তাঁর পাল্টা জবাব, “আমাদেরও মনবীর, সাহাল, ছাংতে আছে। এই মরসুমে ওদেরও হ্যাটট্রিক রয়েছে।”

ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারলেও সেই ম্যাচের বদলা নেওয়ার চাপ নিজের উপর নিতে চান না দিমপেরিস। তাঁর বক্তব্য, “আমি একেবারেই চাপে নেই। আমাদের পারফরম্যান্স নিয়েই বেশি ভাবছি। ফুটবলাররা কী করবে, সেটাই আমার মূল লক্ষ্য।”

সেমিফাইনালে পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে নিজেদের আক্রমণাত্মক ফুটবল ঠিকমতো তুলে ধরতে পারেনি মোহনবাগান। টাইব্রেকারে বিশাল কাইথের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে তারা। তবে দিমপেরিসের বিশ্বাস, ফাইনালে তাঁর দল আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে। “ফাইনালে আমাদের গোল করতে হবে,” স্পষ্ট বলেছেন বাগান কোচ।

মোহনবাগানের মনবীর, সাহাল, আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপারাও জাতীয় শিবির থেকে ফিরেছেন। তাই তাঁরাও কতটা সময় মাঠে থাকতে পারবেন, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত নন দিমপেরিস।

দুই কোচই অবশ্য একটি বিষয়ে একমত—ফাইনালের ভাগ্য টাইব্রেকারে নয়, ৯০ মিনিটেই ঠিক করতে চান তাঁরা।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *