জোড়া ভুলে গোল, তবু গুরপ্রীতের দাবি!
ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই তিন বার ভুল করেছিলেন গুরপ্রীত সিংহ সঁধু। তার মধ্যে দু’টি ভুল থেকেই গোল হয়েছে। আরও এক বার অল্পের জন্য বিপদ এড়িয়েছে ভারত। শেষ পর্যন্ত বিরতির পর তাঁকে তুলে নেন কোচ খালিদ জামিল। কিন্তু ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে খুব একটা আত্মসমালোচনার পথে হাঁটলেন না ভারতীয় গোলরক্ষক। বরং তাঁর বক্তব্য, ব্রাজ়িলের মতো বড় দলের বিরুদ্ধে ছোট ভুলের মাশুলই বড় হয়ে যায়।
ম্যাচের পরে মিক্সড জ়োনে গুরপ্রীত বলেন, “ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে খেলতে পেরে খুব ভাল লেগেছে। দুর্ভাগ্যবশত, ওদের মতো বড় দলের বিরুদ্ধে খেললে ছোটখাটো ভুলও অনেক বড় হয়ে দেখা দেয়। আমরা সবাই নিজেদের নিংড়ে দিয়েছি। দলের প্রত্যেকের চেষ্টা নিয়ে আমি গর্বিত।”
ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে ০-৪ হেরেও গুরপ্রীতের দাবি, ভারত শুধু রক্ষণ করেনি। আক্রমণেও যাওয়ার চেষ্টা করেছে দল। তাঁর কথায়, “আমরা শুধু রক্ষণ করিনি। নিজেরাও ভাল খেলার চেষ্টা করেছি এবং বেশ কয়েকটি আক্রমণ করেছি। ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে খেলা অসাধারণ অভিজ্ঞতা। এখন উরুগুয়ের বিরুদ্ধে আরও একটি ভাল ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় রয়েছি।”
গুরপ্রীত মনে করছেন, এই ধরনের বড় ম্যাচে ছোটখাটো ঘটনাই পার্থক্য গড়ে দেয়। তিনি বলেন, “এ ধরনের ম্যাচে ছোটখাটো বিষয় অনেক সুবিধা করে দেয়। কিন্তু আমাদের ভাগ্য খারাপ ছিল, তাই সেই সুবিধা পাইনি। এখন এগিয়ে যেতে হবে। এই ম্যাচ থেকে অনেক কিছু শিখতে হবে। আপাতত ভাল করে খাওয়া, বিশ্রাম নেওয়া এবং নিজেদের সুস্থ করে তোলার দিকে নজর দিতে হবে।”
ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন রায়ান উইলিয়ামসও। পানামার বিরুদ্ধে গোল করা রায়ান এ বার সুযোগ পেয়েও জালে বল জড়াতে না পারায় হতাশ। তাঁর কথায়, “ভেবেছিলাম গোলটা করতে পারব। কিন্তু তখন শক্তি কমে এসেছিল। ম্যাচে অনেক রক্ষণ করতে হয়েছে।”
তবে ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে দলের পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসী রায়ান। তিনি বলেন, “বুঝতে পেরেছি ওরা কতটা ভাল দল এবং আমরা কোথায় কোথায় পিছিয়ে আছি। যদি লিগ শুরু হয়ে যাওয়ার পর এই ম্যাচগুলো খেলতাম, তা হলে হয়তো আরও ভাল খেলতে পারতাম।”
ভারতের ইতিবাচক ফুটবল নিয়েও সন্তুষ্ট রায়ান। তাঁর দাবি, ব্রাজ়িলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলেও ভারত শুধু নিজেদের অর্ধে আটকে থাকেনি। “ব্রাজ়িল ম্যাচের মাধ্যমে গোটা বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে পেরেছি, এই দেশ কেমন ফুটবল খেলে। আমরা শুধু রক্ষণ করিনি। ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলেছি এবং গোল করার জায়গাতেও পৌঁছেছিলাম,” বলেন তিনি।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।