ভিটামিন খেলেই লিভার খারাপ নয়, কিন্তু এই ৫ অভ্যাসে বাড়তে পারে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি

ভিটামিন খেলেই লিভার খারাপ নয়! লিভার ভাল রাখতে শুধু মদ্যপান এড়ানোই যথেষ্ট নয়। ওজন বেড়ে যাওয়া, শারীরিক পরিশ্রম কম করা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড বা কোলেস্টেরলের অস্বাভাবিক মাত্রার…

October 3, 2026
1 min read

ভিটামিন খেলেই লিভার খারাপ নয়!

লিভার ভাল রাখতে শুধু মদ্যপান এড়ানোই যথেষ্ট নয়। ওজন বেড়ে যাওয়া, শারীরিক পরিশ্রম কম করা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড বা কোলেস্টেরলের অস্বাভাবিক মাত্রার মতো কারণেও ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ে। অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি পানীয়ও এই ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত।

রোজের কয়েকটি অভ্যাস তাই দীর্ঘ দিন ধরে চলতে থাকলে বিপদ বাড়তে পারে। কোনগুলি?

অতিরিক্ত ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট

ভিটামিন ট্যাবলেট খেলেই লিভার নষ্ট হয়—এমনটা ঠিক নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন সাধারণত নিরাপদ। তবে বিশেষ করে অতিরিক্ত মাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ খেলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে। এটি শরীরে জমা হয়ে লিভারের কোষে বিষক্রিয়া, প্রদাহ এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই প্রয়োজন না থাকলে নিজের ইচ্ছায় বেশি মাত্রার সাপ্লিমেন্ট খাওয়া ঠিক নয়।

অতিরিক্ত মিষ্টি ও মিষ্টি পানীয়

ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে এই অভ্যাসটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সফট ড্রিঙ্ক, অতিরিক্ত মিষ্টি চা-কফি, মিষ্টি জুস বা চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় নিয়মিত খেলে শরীরে অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালোরি ঢোকে। বিশেষ করে বেশি ফ্রুক্টোজ় গ্রহণের সঙ্গে ফ্যাটি লিভারের সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছে।

শারীরিক পরিশ্রম কম করা

সারাদিন বসে থাকা, হাঁটা বা ব্যায়ামের অভ্যাস না থাকা ওজন এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে—এমনকি ওজন না কমলেও শরীরচর্চার উপকার রয়েছে।

ওজন বাড়তে দেওয়া

পেটের মেদ এবং অতিরিক্ত ওজন ফ্যাটি লিভারের গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কারণ। স্থূলতা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের সঙ্গে এই রোগের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে ওজন কমানো লিভারে জমা মেদ এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

নিজের ইচ্ছায় ওষুধ বা হারবাল সাপ্লিমেন্ট খাওয়া

সব ওষুধ লিভারের ক্ষতি করে না। তবে কিছু ওষুধ এবং কিছু ভেষজ বা খাদ্য-সাপ্লিমেন্ট লিভারে বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে। তাই দীর্ঘ দিন কোনও ওষুধ খাওয়া বা নতুন সাপ্লিমেন্ট শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

প্লাস্টিকের বোতল বা প্রসাধনী ব্যবহার করলেই সরাসরি ফ্যাটি লিভার হবে—এমন নিশ্চিত প্রমাণ নেই। তাই আতঙ্কিত না হয়ে বরং ওজন নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং অতিরিক্ত চিনি কমানোর দিকে নজর দেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *