ককপিটে কুঠার নিয়ে ক্যাপ্টেনকে হামলা, বিমান দখলের চেষ্টা! ফ্লাইদুবাই কাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসবাদী হামলা’ বলল UAE

ফ্লাইদুবাই কাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসবাদী হামলা’ বলল UAE! ফ্লাইদুবাইয়ের FZ1073 বিমানে ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় বড় তথ্য সামনে এল। ঘটনার তিন দিন পর শনিবার প্রথম বার মুখ খুলল সংযুক্ত…

October 3, 2026
1 min read

ফ্লাইদুবাই কাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসবাদী হামলা’ বলল UAE!

ফ্লাইদুবাইয়ের FZ1073 বিমানে ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় বড় তথ্য সামনে এল। ঘটনার তিন দিন পর শনিবার প্রথম বার মুখ খুলল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE)। সে দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল শামসি জানিয়েছেন, অভিযুক্ত সহকারী পাইলট ককপিটে রাখা ক্র্যাশ অ্যাক্স বা জরুরি কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেনকে আক্রমণ করেছিলেন এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। UAE তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা’ বলে উল্লেখ করেছেন।

৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল FZ1073। বিমানে ১৭৪ জন যাত্রী ছিলেন। মাঝ আকাশে ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। গুরুতর আহত হওয়ার পরেও ক্যাপ্টেন স্মিত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। যাত্রী এবং ক্রু সদস্যরা ভিতরে ঢুকে অভিযুক্তকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে বিমানে থাকা অন্য পাইলটেরা দায়িত্ব নিয়ে সেটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করান। অভিযুক্তকে সেখানেই সৌদি কর্তৃপক্ষ আটক করে।

প্রাথমিক ভাবে হামলায় ছুরি ব্যবহার করা হয়েছিল বলে নানা তথ্য সামনে এসেছিল। পরে ফ্লাইদুবাই এবং তদন্তকারী সূত্রে ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহারের কথা উঠে আসে। শনিবার UAE-র অ্যাটর্নি জেনারেলের বিবৃতিতে সেই তথ্যই নিশ্চিত করা হয়েছে। সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য ককপিটে এই ধরনের ক্র্যাশ অ্যাক্স রাখা হয়।

অভিযুক্তের পরিচয় হামাম আল-হামামি বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। তিনি ওমানের নাগরিক। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, ওমানে তাঁকে আগে বিমান চালানো থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর নিয়োগ এবং অতীতের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য ফ্লাইদুবাই কী ভাবে যাচাই করেছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে হামলার উদ্দেশ্য বা তাঁর সঙ্গে কোনও সংগঠনের যোগ ছিল কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

UAE-র অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তের পরবর্তী ধাপে হামলার পুরো পরিস্থিতি, অভিযুক্তের উদ্দেশ্য, সম্ভাব্য যোগাযোগ এবং ঘটনাটির সঙ্গে যুক্ত শারীরিক ও ডিজিটাল প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে।

ইজ়রায়েলও এই ঘটনার তদন্তে যুক্ত হচ্ছে। কারণ বিমানটি তেল আভিভের উদ্দেশেই যাচ্ছিল এবং বিমানের অধিকাংশ যাত্রী ছিলেন ইজ়রায়েলি। ইজ়রায়েলি কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তের সম্ভাব্য উদ্দেশ্য এবং কারও নির্দেশে তিনি কাজ করেছিলেন কি না, সেই বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখছে।

এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি—হামলার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কী ছিল, অভিযুক্ত একাই পরিকল্পনা করেছিলেন কি না এবং নিয়োগের আগে তাঁর অতীতের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য কতটা যাচাই করা হয়েছিল। UAE-র তদন্ত শেষ হলেই সেই প্রশ্নগুলির উত্তর আরও স্পষ্ট হতে পারে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *