ওরাকল-সহ ২২ সংস্থার বিরুদ্ধে ২ বছরের ‘অসহযোগিতা’ আইআইটিগুলির!
চাকরির অফার দিয়েও পরে তা কার্যকর না করার অভিযোগে ওরাকল-সহ ২২টি সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে চলেছে দেশের ২৩টি আইআইটি। আগামী দু’টি প্লেসমেন্ট মরসুমে ওই সংস্থাগুলির সঙ্গে ক্যাম্পাস নিয়োগে ‘অসহযোগিতা’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইআইটিগুলির কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সংস্থা ‘অল আইআইটিস প্লেসমেন্ট কমিটি’ বা এআইপিসি। (economictimes.indiatimes.com)
এআইপিসি-র বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিটির তরফে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে। আইআইটিগুলি বিষয়টিকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘ব্ল্যাকলিস্টিং’ বলছে না। ‘নন-কোঅপারেশন’ বা অসহযোগিতা শব্দটি ব্যবহার করা হবে। অর্থাৎ, আগামী দু’টি প্লেসমেন্ট সিজ়নে ওই সংস্থাগুলি আইআইটি ক্যাম্পাসে নিয়োগের সুযোগ পাবে না। (indiatoday.in)
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৩টি আইআইটি মিলিয়ে ২০২৬ সালের পড়ুয়াদের দেওয়া ১৫০টিরও বেশি চাকরির অফার কার্যকর হয়নি। কোনও কোনও সংস্থা ১০ থেকে ১৫ জন পড়ুয়াকে অফার দেওয়ার পরও তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার সুযোগ দেয়নি। গত বছর এমন সংস্থার সংখ্যা ছিল প্রায় ১০-১১টি। এ বার সেই সংখ্যা বেড়ে ২২ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আইআইটিগুলির মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত হয়েছে। (timesofindia.indiatimes.com)
এই তালিকায় ওরাকলের নাম রয়েছে বলে ক্যাম্পাস সূত্রের দাবি। সংস্থাটি আইআইটির পড়ুয়াদের দেওয়া প্রায় ৪০টি অফার কার্যকর করেনি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি বছর এখনও আইআইটিগুলির মাধ্যমে নিয়োগের জন্য ওরাকল যোগাযোগ করেনি বলেও জানিয়েছেন আইআইটি গুয়াহাটির সহযোগী অধ্যাপক তথা এআইপিসি-র আহ্বায়ক জন জোসে। তবে ২২টি সংস্থার সম্পূর্ণ তালিকা এবং কোন সংস্থার কতগুলি অফার কার্যকর হয়নি, সেই হিসাব এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তালিকায় কয়েকটি স্টার্টআপও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। (economictimes.indiatimes.com)
চাকরির অফার কার্যকর না হওয়ায় পড়ুয়াদের যাতে সমস্যায় পড়তে না হয়, তার জন্য আইআইটিগুলির প্লেসমেন্ট অফিসগুলিও উদ্যোগী হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পড়ুয়াদের জীবনপঞ্জি বা সিভি ইতিমধ্যে অন্য নিয়োগকারী সংস্থাগুলির কাছে পাঠানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের জন্য কোনও শূন্যপদ থাকলে তাঁদের বিবেচনা করার অনুরোধও করা হচ্ছে।
এআইপিসি-র দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পড়ুয়াদের প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বিকল্প চাকরি পেয়েছেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে এখনও কত জন পড়ুয়া চাকরি পাননি, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেই। কেউ কেউ আইআইটিকে না জানিয়েই অফ-ক্যাম্পাস আবেদন বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে চাকরি পেয়ে থাকতে পারেন।
আইআইটিগুলির এই পদক্ষেপের ফলে আগামী দুই প্লেসমেন্ট মরসুমে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির সঙ্গে ক্যাম্পাস নিয়োগের প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে। তবে এআইপিসি-র তরফে সংস্থাগুলিকে আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানোর পরেই সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে। (business-standard.com)
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।