জ্ঞানেশ-বিতর্কে ফের এক মঞ্চে বিরোধীরা!
বিহারের বাঁকিপুর উপনির্বাচনে জয়ের পর এ বার দিল্লিতে সংগঠন বিস্তারের পথে এগোতে চাইছে প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি। রবিবার রাজধানীতে দলীয় সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রশান্ত। সেই বৈঠক থেকেই দিল্লিতে দলের আনুষ্ঠানিক উপস্থিতি তৈরির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত মিলেছে।
দলের কোর কমিটির সদস্য এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশবন্ধু কলেজের অধ্যাপক কুমার শান্তনু জানিয়েছেন, দিল্লিতে প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক ভাবধারায় বিশ্বাসী সমর্থকদের মধ্যে দলীয় শাখা গড়ার দাবি রয়েছে। তবে রাজধানীতে ভোটে লড়াইয়ের আগে সংগঠনের সম্ভাবনা এবং রাজনৈতিক জমি যাচাই করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। রবিবারের অনুষ্ঠান মূলত বাঁকিপুরে প্রশান্তের জয়ের জন্য সংবর্ধনা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই আয়োজিত হয়েছে।
এই বৈঠকে আইনজীবী তথাগত হর্ষ বর্ধন এবং হিমাচল প্রদেশ পুলিশের প্রাক্তন অতিরিক্ত ডিজি জেপি সিংহের উপস্থিত থাকার কথা। দু’জনেই ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজের প্রার্থী ছিলেন। দিল্লিতে দলের সংগঠন তৈরির জন্য একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাঁকিপুর উপনির্বাচনেই প্রথম বার সরাসরি নির্বাচনে জয় পান প্রশান্ত কিশোর। ৩ অগস্টের ভোটে তিনি বিজেপির নীরজ কুমারকে ১৯,৩২৪ ভোটে হারান। প্রশান্ত পেয়েছিলেন ৬৪,১৫১ ভোট, নীরজের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৪৪,৮২৭। এই জয়ের মাধ্যমে জন সুরাজ বিহার বিধানসভায় প্রথম আসন পায় এবং প্রশান্ত কিশোরও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
এর আগে ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ ২৩৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েও কোনও আসনে জিততে পারেনি। ফলে বাঁকিপুরের জয় দলের নির্বাচনী রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। বর্তমানে বিহারের পাশাপাশি দিল্লিতেও সংগঠন তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে দিল্লিতে ঠিক কোন নির্বাচনে জন সুরাজ লড়বে, তা নিয়ে রবিবারই চূড়ান্ত ঘোষণা হবে কি না, সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। দলের তরফে আপাতত সংগঠন তৈরি এবং রাজধানীতে নিজেদের সম্ভাবনা যাচাইয়ের কথাই বলা হয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।