পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের ফোন করেছিলেন সাহিল, কী বলেছিলেন? আইআইটি বম্বে ছাত্রের মৃত্যুতে নতুন তথ্য

পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের ফোন করেছিলেন সাহিল! আইআইটি বম্বের ছাত্র সাহিল ওয়াকোডের মৃত্যুর তদন্তে একের পর এক তথ্য সংগ্রহ করছে মুম্বই পুলিশের অপরাধদমন শাখা। পুলিশের সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার…

September 25, 2026
0 min read

পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের ফোন করেছিলেন সাহিল!

আইআইটি বম্বের ছাত্র সাহিল ওয়াকোডের মৃত্যুর তদন্তে একের পর এক তথ্য সংগ্রহ করছে মুম্বই পুলিশের অপরাধদমন শাখা। পুলিশের সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে একাধিক বন্ধু ও এক বান্ধবীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন সাহিল। সেই কথোপকথনে পরীক্ষার হলে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে নিজের অনুশোচনার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

১৮ সেপ্টেম্বর থার্মোডায়নামিক্সের পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অভিযোগে সাহিলকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। এর প্রায় দু’ঘণ্টা পরে, দুপুর আড়াইটে নাগাদ এক বান্ধবীকে ফোন করেন সাহিল।

তদন্তকারীদের দাবি, ফোনে সাহিল জানিয়েছিলেন, তিনি ভুল করেছেন এবং পরীক্ষার হলে মোবাইল ব্যবহার করা তাঁর উচিত হয়নি। ওই দিনের পরীক্ষাও ভাল হয়নি বলে বান্ধবীকে জানিয়েছিলেন তিনি। পরীক্ষার হলে ধরা পড়ার পর কী কী ঘটেছিল, সেই বিষয়েও ফোনে কথা বলেন সাহিল।

পুলিশ এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের বেশি মানুষের বয়ান নথিবদ্ধ করেছে বলে সূত্রের খবর। সাহিলের সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের পাশাপাশি হস্টেলের কর্মী এবং তাঁর পরিচিতদের সঙ্গেও কথা বলেছেন তদন্তকারীরা। মৃত্যুর আগে সাহিল কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কী কথা হয়েছিল— সেই তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সাহিলের আইফোন ইতিমধ্যেই ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ফোনটির লক খোলার জন্য অ্যাপ্‌লের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর হোয়াট্‌সঅ্যাপ চ্যাট থেকেও কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি ১৮ সেপ্টেম্বরের ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

সাহিলের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার আইআইটি বম্বে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জাতিবৈষম্য ও হেনস্থার অভিযোগ তুলেছে। পরিবারের অভিযোগ, অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লা তাঁদের ছেলেকে জাত তুলে অপমান করতেন। গত তিন মাস ধরে এমনটা চলছিল বলেও অভিযোগ পরিবারের। তাঁদের দাবি, আইআইটি বম্বের ডিরেক্টর শিরীষ কেদারের নির্দেশেই ওই অধ্যাপক এমন আচরণ করতেন।

অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইআইটি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই অধ্যাপক দুল্লাকে ছুটিতে পাঠিয়েছে। তবে পুলিশ এখনও তাঁর বয়ান রেকর্ড করেনি বলে জানা গিয়েছে।

সাহিলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং তার আগে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখতে ফোনের তথ্য, হোয়াট্‌সঅ্যাপ চ্যাট, সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান— সবকিছু মিলিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও একটি কারণকে তাঁর মৃত্যুর চূড়ান্ত কারণ হিসেবে দেখানো হয়নি।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *