আফগান বোর্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন রশিদ!
আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টি আগে জানানো হয়নি—এমনই দাবি করেছেন রশিদ খান। ২০২৬ সালের মার্চে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ইব্রাহিম জ়াদরানকে টি-টোয়েন্টি দলের পূর্ণকালীন অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত জানায়। রশিদের নেতৃত্বে ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠেছিল আফগানিস্তান।
সম্প্রতি নিজের নেতৃত্ব হারানো প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন রশিদ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বোর্ডের ঘোষণার সময়ই তিনি জানতে পারেন যে আর টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক থাকছেন না। আগে থেকে তাঁকে বিষয়টি জানানো হয়নি বলেই অভিযোগ তাঁর।
তবে নতুন অধিনায়ক জ়াদরানের নেতৃত্বে খেলতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন রশিদ। বরং তরুণ অধিনায়ককে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহায্য করতে চান তিনি। আইসিসিকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারেও জ়াদরানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন রশিদ। তাঁর মতে, জ়াদরান কঠোর পরিশ্রম করেন, সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং তরুণ ক্রিকেটারদের উন্নতিতে সাহায্য করতে পারেন।
রশিদের নেতৃত্বে আফগানিস্তান ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তিনিই আফগানিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেই প্রতিযোগিতার পরই টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনে বোর্ড।
নেতৃত্ব হারানোর বিষয়টি নিয়ে হতাশা থাকলেও রশিদ জানিয়েছেন, অধিনায়কত্ব তাঁর কাছে আফগানিস্তানের হয়ে খেলার চেয়ে বড় নয়। তাঁর লক্ষ্য, দেশের হয়ে নিজের সেরাটা দেওয়া এবং সতীর্থদের সাহায্য করা। নেতৃত্ব তাঁর নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও মাঠে ভাল পারফর্ম করা এবং দলের জয়ে অবদান রাখা তাঁর হাতে রয়েছে—এমনটাই মনে করেন তিনি।
ভারতের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ়েও রশিদ খেলেছেন। সেই সিরিজ়ের আগে আইসিসি জানিয়েছিল, জ়াদরানের পূর্ণকালীন অধিনায়ক হিসাবে সেটিই ছিল প্রথম দায়িত্ব।
ভারতের বিরুদ্ধে সাফল্য নিয়েও নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন রশিদ। তাঁর মতে, আফগানিস্তানের ক্রিকেটারদের বিশ্বাস রাখতে হবে যে ভারতকেও হারানো সম্ভব। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে বার বার হারলেও সেই মানসিক বাধা কাটিয়ে উঠতে পারলেই আফগানিস্তান আরও এক ধাপ এগোতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।
নেতৃত্বের অধ্যায় শেষ হলেও তাই দলের সঙ্গে নিজের ভূমিকা নিয়ে কোনও দ্বিধা নেই রশিদের। নতুন অধিনায়ক জ়াদরানের পাশে থেকে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া এবং মাঠে পারফর্ম করাই এখন তাঁর লক্ষ্য।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।