১৯ বছর ধরে ‘ফেরার’ ছিলেন মিলন? নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার নিয়ে পুলিশের বক্তব্য

নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার নিয়ে পুলিশের বক্তব্য! নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হল, তার সরকারি ব্যাখ্যা দিয়েছে…

September 19, 2026
1 min read

নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার নিয়ে পুলিশের বক্তব্য!

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হল, তার সরকারি ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ২০০৭ সাল থেকে মিলন আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের চারটি জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। শুক্রবার চণ্ডীপুর থানা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার তাঁকে হলদিয়া আদালতে হাজির করানো হয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মিলনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন পর্বের একাধিক মামলা রয়েছে। তার মধ্যে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট, অনধিকার প্রবেশ এবং অস্ত্র ব্যবহার করে অশান্তি ছড়ানোর মতো অভিযোগ রয়েছে। নন্দীগ্রাম থানায় তিনটি এবং খেজুরি থানায় একটি মামলা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। চারটি মামলার ক্ষেত্রেই আদালতের জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা ছিল বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই দীর্ঘ দিন আগে জারি হওয়া ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে মিলনের গ্রেফতারির সময় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। শুক্রবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলন গ্রেফতার হওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।

কংগ্রেসের তরফে গ্রেফতারির প্রতিবাদ করা হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, রাজনৈতিক ও আইনি—দুই পথেই তাঁদের লড়াই চলবে। অন্য দিকে, কংগ্রেসের অভিযোগের বিরোধিতা করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগও সামনে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই বক্তব্যগুলি রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগ ও দাবি; পুলিশ অবশ্য তাদের পদক্ষেপের কারণ হিসেবে পুরনো মামলা এবং জামিন-অযোগ্য পরোয়ানার কথা জানিয়েছে।

এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের জমজমাট রাজনৈতিক পরিস্থিতি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রাম থেকেও জিতেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন হচ্ছে। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের কথা।

এর মধ্যেই নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁর শিবির কংগ্রেসের মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। ফলে ভোটের আগে মিলনের গ্রেফতারি নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হয়ে উঠেছে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *