৫৮ বছরেও ঘন চুল নীলমের!
বয়স ৫৮ পেরিয়েছে। তবু চুলের ঘনত্ব ও উজ্জ্বলতা নিয়ে এখনও প্রশংসা শুনতে হয় প্রাক্তন বলিউড অভিনেত্রী নীলম কোঠারিকে। কী ভাবে চুলের যত্ন নেন তিনি? সম্প্রতি নিজের ভিডিয়ো ব্লগে সেই রহস্যই ভাগ করে নিয়েছেন নীলম। জানিয়েছেন, তাঁর চুলের পরিচর্যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মায়ের শেখানো একটি ঘরোয়া তেলের রেসিপি।
নীলমের কথায়, ছোটবেলায় তাঁর মা নিয়মিত এই তেল দিয়ে মাথায় মাসাজ করে দিতেন। মায়ের বিশ্বাস ছিল, এই তেল চুলকে ঝলমলে রাখতে সাহায্য করবে। এত বছর পরেও সেই পুরনো তেলের রেসিপি পুরোপুরি ভুলে যাননি নীলম। মাঝে মধ্যে এখনও তিনি এটি ব্যবহার করেন। তাঁর দাবি, তেলটি ব্যবহার করার পরে চুল নরম লাগে এবং চুলে একটা স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাও দেখা যায়।
কী ভাবে তৈরি করবেন নীলমের মায়ের শেখানো তেল?
এই ঘরোয়া তেল তৈরি করতে প্রথমে প্রয়োজন কাঠের ঘানিতে পেষা নারকেল তেল। অল্প পরিমাণ নারকেল তেল হালকা গরম করে তাতে মেথিদানা দিতে হবে। মেথিদানা কিছুটা সেঁকে বাদামি হয়ে এলে আঁচ বন্ধ করে দিতে হবে।
এর পর তেলের মধ্যে দিতে হবে ভাল করে ধুয়ে নেওয়া কয়েকটি কারিপাতা। তেলটি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার না করে স্বাভাবিক ভাবে ঠান্ডা হতে দিতে হবে। একেবারে ঠান্ডা না করে যখন হালকা গরম থাকবে, তখন সেই তেল দিয়ে মাথার ত্বকে আলতো করে মাসাজ করার কথা জানিয়েছেন নীলম।
খুশকি বা শুষ্ক মাথার ত্বকে কতটা উপকারী?
নীলমের মতে, এই তেল ব্যবহারে খুশকি, মাথার ত্বকে চুলকানি বা শুষ্কতার মতো সমস্যায় আরাম মিলতে পারে। চুল নরম ও উজ্জ্বল রাখতেও তিনি এই তেলকে কার্যকর বলে মনে করেন। নারকেল তেল চুলে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে, আর মেথি ও কারিপাতার মতো উপাদানও ঘরোয়া চুলের পরিচর্যায় বহু দিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
তবে ঘরোয়া তেলকে চুল পড়া বা মাথার ত্বকের কোনও রোগের চিকিৎসা হিসেবে দেখা ঠিক নয়। অতিরিক্ত চুল পড়া, দীর্ঘদিনের খুশকি, চুলকানি বা মাথার ত্বকে ঘা হলে কারণ জানতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই ভাল। কারও ত্বকে অ্যালার্জি থাকলে নতুন কোনও তেল ব্যবহারের আগে অল্প জায়গায় পরীক্ষা করে নেওয়াও নিরাপদ।
নীলমের এই রেসিপির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ অবশ্য এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা শৈশবের স্মৃতি—মায়ের হাতে তৈরি সেই তেল, যা এত বছর পরেও অভিনেত্রীর চুলের পরিচর্যার অংশ হয়ে রয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।