পুজোর আগেই খুলল গুরুদোংমার লেক, উত্তর সিকিমে পর্যটকদের জন্য মিলল প্রশাসনের ছাড়পত্র

পুজোর আগেই খুলল গুরুদোংমার লেক পুজোর মরসুম শুরুর আগেই পর্যটকদের জন্য খুলে গেল উত্তর সিকিমের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য গুরুদোংমার লেক। শুক্রবার থেকে প্রশাসনের অনুমতি মিলেছে এই হিমালয়ান হ্রদে যাওয়ার। দীর্ঘ…

September 11, 2026
0 min read

পুজোর আগেই খুলল গুরুদোংমার লেক

পুজোর মরসুম শুরুর আগেই পর্যটকদের জন্য খুলে গেল উত্তর সিকিমের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য গুরুদোংমার লেক। শুক্রবার থেকে প্রশাসনের অনুমতি মিলেছে এই হিমালয়ান হ্রদে যাওয়ার। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফের পর্যটকদের জন্য পথ খুলে যাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরাও। তাঁদের আশা, পুজোর ছুটিতে উত্তর সিকিমমুখী পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে।

তবে গুরুদোংমার যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধও জারি রেখেছে সিকিম প্রশাসন। লাচেন এবং লাচুংয়ের দিকে যাওয়া গাড়িগুলিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তুং চেকপোস্ট পার করতে হবে। রাতের দিকে পাহাড়ি পথে যাতায়াত এড়ানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। ফলে উত্তর সিকিমে যাওয়ার আগে পর্যটকদের পারমিট, রাস্তার বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের নির্দেশিকা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭,১০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত গুরুদোংমার লেক সিকিমের অন্যতম আকর্ষণ। বরফে ঘেরা পাহাড়, নীল জল আর দুর্গম ভূপ্রকৃতির জন্য পর্যটকদের কাছে এই জায়গার আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। তবে সেখানে পৌঁছনোর পথও কম কঠিন নয়। গ্যাংটক থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে লাচেন। প্রায় ৮,৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই ছোট পাহাড়ি শহর থেকেই গুরুদোংমারের পথে যেতে হয়। লাচেন থেকে হ্রদটির দূরত্ব প্রায় ৬৪ কিলোমিটার।

২০২৫ সালের জুনে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে লাচেন যাওয়ার রাস্তায় বড় ধস নামে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বন্ধ করে দেওয়া হয় ওই পথ। পরে মেরামতির কাজ শেষ করে কয়েক মাস আগে রাস্তা খুলে দেওয়া হলেও গুরুদোংমার লেকে পর্যটকদের প্রবেশ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল।

হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড টুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক তন্ময় গোস্বামী জানিয়েছেন, গত দু’বছর ধরে রাস্তার সমস্যার কারণে গুরুদোংমারে পর্যটকদের যাতায়াত প্রায় বন্ধই ছিল। এর ফলে পর্যটন ব্যবসাতেও প্রভাব পড়েছিল। তাঁর কথায়, মাঝে মধ্যে কিছু বাইক আরোহী ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেখানে পৌঁছলেও সাধারণ পর্যটকদের জন্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল না।

এ বার প্রশাসনের ছাড়পত্র মেলায় সেই অনিশ্চয়তা অনেকটাই কাটল। পুজোর মরসুমে পাহাড়ে বেড়ানোর পরিকল্পনা করা পর্যটকদের কাছে তাই উত্তর সিকিমের এই জনপ্রিয় গন্তব্য ফের বড় আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। তবে দুর্গম পাহাড়ি পথ হওয়ায় প্রশাসনের সময়সীমা এবং নিরাপত্তা নির্দেশিকা মেনে চলাই পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *