সোমবারও পিছোল মিলন প্রধানের শুনানি!
নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের জামিনের বিষয়টি সোমবারও ঝুলে রইল। কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর জামিনের আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে মামলাটির শুনানি হবে এবং তার পর নির্দেশ দেওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিচারপতি ঘোষ জানিয়েছিলেন, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে মিলনকে লড়ার সুযোগ দিতে তিনি অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়ার কথা ভাবছেন। আদালতে তাঁর প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ ছিল, মিলন নির্বাচনে অংশ নিন এবং মামলার পরবর্তী সিদ্ধান্ত আইন অনুযায়ী হবে।
কিন্তু শুক্রবার মামলায় নতুন মোড় আসে। কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আগের সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া রক্ষাকবচ খারিজ করে জানায়, মিলনকে নিয়ম মেনে জামিনের আবেদন করতে হবে। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র বিঠ্ঠলরাও ঘুগে এবং বিচারপতি ওম নারায়ণ রায়ের বেঞ্চের বক্তব্য, ফৌজদারি আইনে এই ধরনের অন্তর্বর্তী সুরক্ষার নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কারণে আলাদা আইনি সুবিধা দেওয়া যায় না।
এর পর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মিলনের জামিনের আবেদন শোনা হয়। তাঁর আইনজীবীরা উপনির্বাচনে প্রচারের সুযোগ করে দিতে অন্তর্বর্তী জামিন চেয়েছিলেন। রাজ্যের তরফে আপত্তি জানিয়ে মামলাগুলিতে খুন-সহ গুরুতর অভিযোগ এবং আগের গ্রেফতারি পরোয়ানা ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরা হয়।
মিলনকে ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭ সালের পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ও খেজুরি থানায় খুন, খুনের চেষ্টা, জমায়েত এবং লুটপাট-সহ একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিলনের গ্রেফতারির সময় নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। সেই অভিযোগ অবশ্য রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে।
এ দিকে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। ফলে আদালতের জামিন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত মিলনের নির্বাচনী প্রচারের সময়ের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। সোমবার শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় আপাতত তাঁর মুক্তির বিষয়টি আরও এক দিন অনিশ্চিত থাকল। মঙ্গলবারের শুনানির দিকেই এখন নজর।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।